মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026|| মাধ্যমিক 2026 ভূগোল সাজেশন প্রশ্ন উত্তর সহ ||

Best Online Education
By -
0

 মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026|| মাধ্যমিক 2026 ভূগোল সাজেশন প্রশ্ন উত্তর সহ ||

মাধ্যমিক-ভূগোল-সাজেশন-2026



মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026


মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026|| মাধ্যমিক 2026 ভূগোল সাজেশন প্রশ্ন উত্তর সহ || এই আর্টিকেলটিতে মাধ্যমিক 2026 এর জন্য ভূগোলের সাজেশন ভিত্তিক প্রশ্ন উত্তর আলোচনা করা হয়েছে।।


মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026 Mcq


🌍 মাধ্যমিক ভূগোল MCQ সাজেশন (১০০টি প্রশ্ন)


প্রথম অধ্যায়: বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ


১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করুন:


১.১. কোনো স্থানে আলোড়ন সৃষ্টি না করে, ভূ-পৃষ্ঠের ওপরের স্তরের ক্ষয় ও অপসারণকে বলে—

ক) আবহবিকার

খ) নগ্নীভবন

গ) ক্ষয়ীভবন

ঘ) পুঞ্জিত ক্ষয়


১.২. বহির্জাত প্রক্রিয়ার মূল শক্তি হলো—

ক) ভূমিকম্প

খ) অগ্ন্যুৎপাত

গ) সূর্যতাপ

ঘ) মহাকর্ষ


১.৩. জলপ্রপাতের পাদদেশে সৃষ্ট গর্তকে বলে—

ক) ক্যানিয়ন

খ) মন্থকূপ

গ) প্রপাতকূপ

ঘ) পটল


১.৪. পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীটির নাম—

ক) আমাজন

খ) ইয়াংসিকিয়াং

গ) নীল

ঘ) গঙ্গা


১.৫. জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয় নদীর—

ক) উচ্চগতিতে

খ) মধ্যগতিতে

গ) নিম্নগতিতে

ঘ) মোহনায়


১.৬. পলল ব্যজনী গড়ে ওঠে—

ক) নদীর উচ্চগতিতে

খ) নদীর নিম্নগতিতে

গ) পর্বতের পাদদেশে

ঘ) সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে


১.৭. পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ হলো—

ক) মিসিসিপি-মিসৌরি ব-দ্বীপ

খ) আমাজন ব-দ্বীপ

গ) হোয়াংহো ব-দ্বীপ

ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপ


১.৮. নদীপ্রবাহ পরিমাপের একক হলো—

ক) কিউসেক

খ) কিউমেক

গ) কিউসেক ও কিউমেক

ঘ) সবগুলিই


১.৯. বার্খান বালিয়াড়ির অর্ধচন্দ্রাকৃতি অংশটি স্ফীত হয়—

ক) বায়ুপ্রবাহের দিকে

খ) বায়ুপ্রবাহের বিপরীতে

গ) বায়ুপ্রবাহের সমকোণে

ঘ) কোনোটিই নয়


১.১০. মরু অঞ্চলে সৃষ্ট শুষ্ক নদীখাতকে বলে—

ক) প্লায়া

খ) ধ্রিয়ান

গ) ওয়াদি

ঘ) পেডিমেন্ট


১.১১. ইনসেলবার্গ সৃষ্টি হয়—

ক) জলবায়ু দ্বারা

খ) বায়ুর ক্ষয় দ্বারা

গ) হিমবাহের ক্ষয় দ্বারা

ঘ) নদীর ক্ষয় দ্বারা


১.১২. পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাত হলো—

ক) নায়াগ্রা

খ) ভিক্টোরিয়া

গ) অ্যাঞ্জেল

ঘ) যোগ


১.১৩. বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ—

ক) ইয়ার্দাং

খ) জিউগেন

গ) ব্লো-আউট

ঘ) লোয়েস


১.১৪. হিমবাহ দ্বারা সঞ্চিত পলি, নুড়ি, পাথর ইত্যাদিকে বলে—

ক) হিমশৈল

খ) করি

গ) গ্রাবরেখা

ঘ) ফিয়র্ড


১.১৫. হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ফাটলকে বলে—

ক) হিমাদ্রি

খ) ক্রেভাস

গ) হিমশৈল

ঘ) নুনাটাক


১.১৬. দুটি করির মাঝে উঁচু ঢালু অংশকে বলে—

ক) এঁরেট (Arête)

খ) পিরামিড চূড়া

গ) ফিয়র্ড

ঘ) ঝুলন্ত উপত্যকা


১.১৭. হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ডিমের ঝুড়ির মতো ভূমিরূপটি হলো—

ক) কেম

খ) এসকার

গ) ড্রমলিন

ঘ) গ্রাবরেখা


১.১৮. ফিয়র্ড দেখা যায়—

ক) উষ্ণ মরু অঞ্চলে

খ) শীতল মরু অঞ্চলে

গ) নরওয়ের উপকূলে

ঘ) গঙ্গা নদীর অববাহিকায়


১.১৯. ইয়ার্দাং-এর চেয়ে জিউগেন-এর উচ্চতা—

ক) কম

খ) বেশি

গ) সমান

ঘ) বলা যায় না


১.২০. 'মরু সম্প্রসারণ' প্রতিরোধে গাছপালা লাগানোকে বলে—

ক) সামাজিক বনসৃজন

খ) বন সংরক্ষণ

গ) এগ্রো ফরেস্ট্রি

ঘ) এফরেস্টেশন


দ্বিতীয় অধ্যায়: বায়ুমণ্ডল


২. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করুন:


২.১. বায়ুমণ্ডলের শীতলতম স্তর হলো—

ক) ট্রপোস্ফিয়ার

খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার

গ) আয়নোস্ফিয়ার

ঘ) মেসোস্ফিয়ার


২.২. ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের মধ্যবর্তী সংযোগকারী অঞ্চলকে বলে—

ক) মেসোপজ

খ) স্ট্র্যাটোপজ

গ) ট্রপোপজ

ঘ) থার্মোপজ


২.৩. ওজন স্তর দেখা যায় বায়ুমণ্ডলের—

ক) ট্রপোস্ফিয়ারে

খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে

গ) মেসোস্ফিয়ারে

ঘ) এক্সোস্ফিয়ারে


২.৪. প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে ট্রপোস্ফিয়ারে উষ্ণতা হ্রাস পায়—

ক) 10^\circ C

খ) 6.4^\circ C

গ) 6.5^\circ C

ঘ) 4.5^\circ C


২.৫. বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক পরিমাণে প্রাপ্ত গ্যাসটি হলো—

ক) অক্সিজেন

খ) নাইট্রোজেন

গ) কার্বন ডাই-অক্সাইড

ঘ) আর্গন


২.৬. বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে কৃত্রিম উপগ্রহগুলি স্থাপন করা হয়—

ক) থার্মোস্ফিয়ার

খ) এক্সোস্ফিয়ার

গ) ম্যাগনেটোস্ফিয়ার

ঘ) মেসোস্ফিয়ার


২.৭. যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ুর চাপ মাপা হয়—

ক) থার্মোমিটার

খ) ব্যারোমিটার

গ) অ্যানিমোমিটার

ঘ) হাইগ্রোমিটার


২.৮. ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত—

ক) প্রচুর হয়

খ) হয় না

গ) মাঝারি হয়

ঘ) অনিয়মিত হয়


২.৯. পৃথিবীর অ্যালবেডোর পরিমাণ প্রায়—

ক) ২০ শতাংশ

খ) ৩৪ শতাংশ

গ) ৫০ শতাংশ

ঘ) ৬৫ শতাংশ


২.১০. একটি উষ্ণ স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ হলো—

ক) মিস্ট্রাল

খ) চিনুক

গ) বোরা

ঘ) সাইমুম


২.১১. জেড বায়ু দেখা যায় বায়ুমণ্ডলের—

ক) নিম্ন ট্রপোস্ফিয়ারে

খ) উর্ধ্ব ট্রপোস্ফিয়ারে

গ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে

ঘ) থার্মোস্ফিয়ারে


২.১২. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ মাপার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র—

ক) ব্যারোমিটার

খ) থার্মোমিটার

গ) অ্যানিমোমিটার

ঘ) রেইন গেজ


২.১৩. নিরক্ষীয় অঞ্চলে বার্ষিক উষ্ণতার প্রসর—

ক) বেশি

খ) মাঝারি

গ) কম

ঘ) খুবই বেশি


২.১৪. জলীয় বাষ্প জলকণায় পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলে—

ক) বাষ্পীভবন

খ) ঘনীভবন

গ) ঘনীভূতকরণ

ঘ) অধঃক্ষেপণ


২.১৫. বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপের একক—

ক) প্যাসকেল

খ) নিউটন

গ) গ্রাম/ঘনমিটার

ঘ) কিউসেক


২.১৬. একটি গ্রিনহাউস গ্যাস হলো—

ক) নাইট্রোজেন

খ) অক্সিজেন

গ) আর্গন

ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড


২.১৭. শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়—

ক) মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে

খ) ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে

গ) নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে

ঘ) চীনদেশীয় জলবায়ু অঞ্চলে


২.১৮. দক্ষিণ গোলার্ধে আয়ন বায়ু প্রবাহিত হয়—

ক) উত্তর-পূর্ব দিক থেকে

খ) দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে

গ) উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে

ঘ) দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে


২.১৯. ওজন স্তরের ক্ষয়ের জন্য প্রধানত দায়ী—

ক) \text{CO}_2

খ) \text{SO}_2

গ) \text{CH}_4

ঘ) \text{CFC}


২.২০. সমুদ্র বায়ু প্রবাহিত হয়—

ক) রাতে

খ) দিনে

গ) ভোরে

ঘ) সন্ধ্যায়


তৃতীয় অধ্যায়: বারিমণ্ডল


৩. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করুন:


৩.১. চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণে সৃষ্টি হয়—

ক) জোয়ার

খ) ভাঁটা

গ) জোয়ার-ভাঁটা

ঘ) সমুদ্র স্রোত


৩.২. পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব সবচেয়ে কম হলে সেই অবস্থানকে বলে—

ক) অ্যাপোজি

খ) পেরিজি

গ) সিজিগি

ঘ) প্রতিযোগ


৩.৩. ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়—

ক) অষ্টমী তিথিতে

খ) শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে

গ) অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে

ঘ) সংক্রান্তি তিথিতে


৩.৪. সমুদ্র স্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো—

ক) ভূমিকম্প

খ) বায়ুপ্রবাহ

গ) অগ্ন্যুৎপাত

ঘ) উষ্ণতা


৩.৫. উষ্ণ সমুদ্র স্রোতের রং সাধারণত—

ক) নীল

খ) সবুজ

গ) ধূসর

ঘ) কালো


৩.৬. পৃথিবীর বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর—

ক) আটলান্টিক মহাসাগর

খ) ভারত মহাসাগর

গ) সুমেরু মহাসাগর

ঘ) প্রশান্ত মহাসাগর


৩.৭. দুটি জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান প্রায়—

ক) ১২ ঘণ্টা

খ) ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট

গ) ২৪ ঘণ্টা

ঘ) ৬ ঘণ্টা


৩.৮. শৈবাল সাগর (Sargasso Sea) সৃষ্টি হয়েছে—

ক) প্রশান্ত মহাসাগরে

খ) আটলান্টিক মহাসাগরে

গ) ভারত মহাসাগরে

ঘ) সুমেরু মহাসাগরে


৩.৯. শীতল পেরু স্রোত যে নামে পরিচিত—

ক) ব্রাজিল স্রোত

খ) ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত

গ) হামবোল্ট স্রোত

ঘ) ফকল্যান্ড স্রোত


৩.১০. মরা কোটালের সময় চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবীর কৌণিক অবস্থান—

ক) 0^\circ

খ) 180^\circ

গ) 90^\circ

ঘ) 45^\circ


চতুর্থ অধ্যায়: বর্জ্য ব্যবস্থাপনা


৪. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করুন:


৪.১. বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি আধুনিক পদ্ধতি হলো—

ক) উন্মুক্ত ডাম্পিং

খ) ডাম্পিং

গ) বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহার

ঘ) সমুদ্রের গভীরে বর্জ্য ফেলা


৪.২. একটি কঠিন বর্জ্যের উদাহরণ—

ক) নিকাশি জল

খ) প্লাস্টিক বোতল

গ) হাসপাতালের রক্ত

ঘ) পারদ


৪.৩. একটি বিষাক্ত বর্জ্যের উদাহরণ—

ক) রান্নাঘরের আবর্জনা

খ) কাগজ

গ) ব্যাটারির অ্যাসিড

ঘ) ছেঁড়া জামাকাপড়


৪.৪. বর্জ্য পৃথকীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো—

ক) আবর্জনা পোড়ানো

খ) আবর্জনা ডাম্প করা

গ) পুনর্ব্যবহারযোগ্য এবং অপুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্যকে আলাদা করা

ঘ) সব আবর্জনাকে মিশিয়ে ফেলা


৪.৫. বর্জ্য পদার্থের পরিমাণগত হ্রাসের পদ্ধতিকে বলে—

ক) পুনর্ব্যবহার

খ) বর্জ্য হ্রাস (Reduce)

গ) পুনঃচক্রায়ন

ঘ) স্যানিটারি ল্যান্ডফিল


৪.৬. নিম্নলিখিত কোনটি পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি?

ক) সমুদ্রে বর্জ্য ফেলা

খ) কম্পোস্টিং

গ) উন্মুক্ত ডাম্পিং

ঘ) ল্যান্ডফিল


৪.৭. স্যানিটারি ল্যান্ডফিল-এর ক্ষতিকারক দিকটি হলো—

ক) কম স্থান প্রয়োজন হয়

খ) মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে

গ) মিথেন গ্যাস সৃষ্টি হয়

ঘ) পুনর্ব্যবহার সহজ হয়


৪.৮. একটি জৈব ভঙ্গুর বর্জ্যের উদাহরণ—

ক) প্লাস্টিক

খ) কাঁচ

গ) শাকসবজির খোসা

ঘ) টায়ার


৪.৯. ফোর-আর (4R) এর ধারণা হলো—

ক) রিডিউস, রিইউজ, রিকভার, রিফিউজ

খ) রিডিউস, রিইউজ, রিফিউজ, রিফর্ম

গ) রিডিউস, রিইউজ, রিসাইকেল, রিকভার

ঘ) রিইউজ, রিসাইকেল, রিফর্ম, রিফিউজ


৪.১০. বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রক্রিয়া হলো—

ক) কম্পোস্টিং

খ) ইনসিনারেশন

গ) ডাম্পিং

ঘ) ল্যান্ডফিল


পঞ্চম অধ্যায়: ভারত


ক. ভারতের প্রাকৃতিক পরিবেশ


৫. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করুন:

৫.১. ভারতের নবীনতম রাজ্যটির নাম—

ক) উত্তরাখণ্ড

খ) ঝাড়খণ্ড

গ) তেলেঙ্গানা

ঘ) ছত্তিশগড়


৫.২. ভারতের উত্তরতম স্থানটির নাম—

ক) কন্যাকুমারিকা

খ) ইন্দিরা কল

গ) ইন্দিরা পয়েন্ট

ঘ) গুহার মোতি


৫.৩. ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহ—

ক) জেমু

খ) পিন্ডারি

গ) গঙ্গোত্রী

ঘ) সিয়াচেন


৫.৪. আরাবল্লী পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ—

ক) ধূপগড়

খ) আনাইমুদি

গ) গুরুশিখর

ঘ) কাঞ্চনজঙ্ঘা


৫.৫. ভারতের বৃহত্তম হ্রদটির নাম—

ক) ডাল হ্রদ

খ) কোলেরু হ্রদ

গ) চিল্কা হ্রদ

ঘ) সম্বর হ্রদ


৫.৬. দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ—

ক) দোদাবেতা

খ) মহেন্দ্রগিরি

গ) আনাইমুদি

ঘ) কলসুরাই


৫.৭. গঙ্গা নদীর ডান তীরের একটি উপনদী হলো—

ক) গোমতী

খ) কোশী

গ) গণ্ডক

ঘ) যমুনা


৫.৮. একটি বৃষ্টির জল সংরক্ষণকারী রাজ্য হলো—

ক) পশ্চিমবঙ্গ

খ) উত্তর প্রদেশ

গ) তামিলনাড়ু

ঘ) বিহার


৫.৯. ভারতের একটি লবণাক্ত হ্রদের উদাহরণ—

ক) ডাল হ্রদ

খ) ভীমতাল

গ) সম্বর

ঘ) উলার হ্রদ


৫.১০. দক্ষিণ ভারতের গঙ্গা নামে পরিচিত নদীটি—

ক) কৃষ্ণা

খ) কাবেরী

গ) গোদাবরী

ঘ) মহানদী


৫.১১. ভারতের জলবায়ু প্রধানত—

ক) নিরক্ষীয়

খ) শীতল

গ) ভূমধ্যসাগরীয়

ঘ) ক্রান্তীয় মৌসুমি


৫.১২. এল-নিনোর প্রভাবে ভারতে—

ক) বন্যা হয়

খ) খরা হয়

গ) প্রবল শৈত্যপ্রবাহ হয়

ঘ) স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়


৫.১৩. ভারতে সর্বাধিক বনভূমি দেখা যায়—

ক) পশ্চিমবঙ্গ

খ) মহারাষ্ট্র

গ) উত্তরপ্রদেশ

ঘ) মধ্যপ্রদেশ


৫.১৪. পশ্চিমঘাট পর্বতের স্থানীয় নাম—

ক) সহ্যাদ্রি

খ) হিমাদ্রি

গ) কারাকোরাম

ঘ) সাতপুরা


৫.১৫. সিন্ধু নদের উৎপত্তি হয়েছে—

ক) যমুনোত্রী হিমবাহ

খ) গঙ্গোত্রী হিমবাহ

গ) সিয়াচেন হিমবাহ

ঘ) চেমা-যুং-দুং হিমবাহ


খ. ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ


৬. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করুন:


৬.১. ধান উৎপাদনে ভারতের প্রথম স্থানাধিকারী রাজ্য—

ক) পাঞ্জাব

খ) উত্তর প্রদেশ

গ) পশ্চিমবঙ্গ

ঘ) অন্ধ্র প্রদেশ


৬.২. ভারতের একটি অর্থকরী ফসল হলো—

ক) গম

খ) ধান

গ) চা

ঘ) ভুট্টা


৬.৩. ভারতের বৃহত্তম লৌহ-ইস্পাত কারখানাটি হলো—

ক) ভিলাই

খ) দুর্গাপুর

গ) জামশেদপুর

ঘ) বোকারো


৬.৪. 'ভারতের সিলিকন ভ্যালি' নামে পরিচিত শহরটি—

ক) হায়দ্রাবাদ

খ) পুনে

গ) চেন্নাই

ঘ) বেঙ্গালুরু


৬.৫. ভারতের শুল্কমুক্ত বন্দরটির নাম—

ক) মুম্বাই

খ) চেন্নাই

গ) হলদিয়া

ঘ) কান্ডালা


৬.৬. ভারতের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পকেন্দ্র—

ক) দুর্গাপুর

খ) জামনগর

গ) হলদিয়া

ঘ) বিশাখাপত্তনম


৬.৭. ভারতের সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য—

ক) মহারাষ্ট্র

খ) পশ্চিমবঙ্গ

গ) উত্তর প্রদেশ

ঘ) বিহার


৬.৮. ভারতে প্রথম মেট্রোরেল শুরু হয়েছিল—

ক) দিল্লি

খ) মুম্বাই

গ) কলকাতা

ঘ) বেঙ্গালুরু


৬.৯. যোগাযোগ ব্যবস্থার দ্রুততম মাধ্যম হলো—

ক) রেলপথ

খ) সড়কপথ

গ) আকাশপথ

ঘ) জলপথ


৬.১০. ভারতে জনঘনত্ব পরিমাপের একক—

ক) প্রতি কিমি

খ) প্রতি বর্গ কিমি

গ) প্রতি হেক্টর

ঘ) প্রতি বর্গ মাইল


৬.১১. ভারতের সর্বাধিক স্বাক্ষরতার হার যুক্ত রাজ্য—

ক) পশ্চিমবঙ্গ

খ) মহারাষ্ট্র

গ) কেরালা

ঘ) তামিলনাড়ু


৬.১২. সড়কপথের গুরুত্বের ভিত্তিতে ভারতে জাতীয় সড়কের স্থান—

ক) প্রথম

খ) দ্বিতীয়

গ) তৃতীয়

ঘ) চতুর্থ


৬.১৩. ভারতের একটি প্রধান প্রশাসনিক শহর হলো—

ক) মুম্বাই

খ) কলকাতা

গ) চেন্নাই

ঘ) নয়াদিল্লি


৬.১৪. ভারতের একটি বন্দরভিত্তিক শিল্প হলো—

ক) টাটা ইস্পাত

খ) ভিলাই ইস্পাত

গ) বিশাখাপত্তনম ইস্পাত

ঘ) দুর্গাপুর ইস্পাত


৬.১৫. ভারতের কার্পাস বয়ন শিল্পের একটি প্রধান কেন্দ্র—

ক) কলকাতা

খ) বেঙ্গালুরু

গ) দিল্লি

ঘ) মুম্বাই


৬.১৬. জনগণনা অনুযায়ী, ভারতের প্রতি হাজার পুরুষে মহিলার সংখ্যা—

ক) ১০০২

খ) ৯২৩

গ) ৯৪৩

ঘ) ৯৫০


৬.১৭. ভারতে উৎপাদিত প্রধান রবি শস্য হলো—

ক) ধান

খ) পাট

গ) গম

ঘ) চা


৬.১৮. সরকারি সংস্থা দ্বারা পরিচালিত রেল পরিবহণ হলো—

ক) বিমানপথ

খ) জলপথ

গ) সড়কপথ

ঘ) রেলপথ


৬.১৯. ভারতের প্রথম সুসংগঠিত লৌহ-ইস্পাত কারখানাটি হলো—

ক) ভিলাই

খ) রাউরকেলা

গ) বোকারো

ঘ) জামশেদপুর (TISCO)


৬.২০. মোটরগাড়ি নির্মাণ শিল্পকে বলে—

ক) রেনেসাঁ শিল্প

খ) উদীয়মান শিল্প

গ) প্রকৌশল শিল্প

ঘ) শাপলা শিল্প


ষষ্ঠ অধ্যায়: উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র


৭. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করুন:


৭.১. উপগ্রহ চিত্রে উদ্ভিদের উপস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়—

ক) নীল রং

খ) সবুজ রং

গ) উজ্জ্বল লাল রং

ঘ) হলুদ রং


৭.২. জিওস্টেশনারি উপগ্রহগুলির কক্ষপথের উচ্চতা প্রায়—

ক) ২০০ কিমি

খ) ২০০০ কিমি

গ) ৩৫,৭৮৬ কিমি

ঘ) ৫০০০ কিমি


৭.৩. ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে রেলপথ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়—

ক) লাল রেখা

খ) কালো রেখা

গ) নীল রেখা

ঘ) সবুজ রেখা


৭.৪. ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে কৃষি জমি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়—

ক) লাল রং

খ) নীল রং

গ) হলুদ রং

ঘ) সবুজ রং


৭.৫. দূর সংবেদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়—

ক) টেলিফোন

খ) ফ্যাক্স

গ) সেন্সর

ঘ) স্যাটেলাইট ফোন


৭.৬. ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের স্কেল সাধারণত—

ক) ক্ষুদ্র স্কেল

খ) মাঝারি স্কেল

গ) বৃহৎ স্কেল

ঘ) অতি ক্ষুদ্র স্কেল


৭.৭. উপগ্রহ চিত্রের ক্ষুদ্রতম একককে বলে—

ক) রেজোলিউশন

খ) ব্যন্ড

গ) পিক্সেল

ঘ) সেন্সর


৭.৮. ভারতের প্রথম উপগ্রহটির নাম—

ক) ভাস্করা

খ) রোহিণী

গ) ইনস্যাট

ঘ) আর্যভট্ট


৭.৯. স্যাটেলাইট থেকে পাঠানো সংকেত যেখানে গ্রহণ করা হয়—

ক) কন্ট্রোল রুম

খ) গ্রাউন্ড স্টেশন

গ) সেন্সর

ঘ) পিক্সেল


৭.১০. ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র থেকে জানা যায়—

ক) জলবায়ু

খ) ভূমির উচ্চতা ও বন্ধুরতা

গ) ভূমিকম্পের তীব্রতা

ঘ) সমুদ্রের গভীরতা


          ----------------------------



✅ মাধ্যমিক ভূগোল MCQ উত্তরমালা 


১. প্রথম অধ্যায়: বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ


| প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর |

|---|---|---|---|---|---|---|---|

| ১.১. | খ) নগ্নীভবন | ১.৬. | গ) পর্বতের পাদদেশে | ১.১১. | খ) বায়ুর ক্ষয় দ্বারা | ১.১৬. | ক) এঁরেট (Arête) |

| ১.২. | গ) সূর্যতাপ | ১.৭. | ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপ | ১.১২. | গ) অ্যাঞ্জেল | ১.১৭. | গ) ড্রমলিন |

| ১.৩. | গ) প্রপাতকূপ | ১.৮. | গ) কিউসেক ও কিউমেক | ১.১৩. | ঘ) লোয়েস | ১.১৮. | গ) নরওয়ের উপকূলে |

| ১.৪. | গ) নীল | ১.৯. | খ) বায়ুপ্রবাহের বিপরীতে | ১.১৪. | গ) গ্রাবরেখা | ১.১৯. | ক) কম |

| ১.৫. | ক) উচ্চগতিতে | ১.১০. | গ) ওয়াদি | ১.১৫. | খ) ক্রেভাস | ১.২০. | গ) এগ্রো ফরেস্ট্রি |



২. দ্বিতীয় অধ্যায়: বায়ুমণ্ডল


| প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর |

|---|---|---|---|---|---|---|---|

| ২.১. | ঘ) মেসোস্ফিয়ার | ২.৬. | গ) ম্যাগনেটোস্ফিয়ার | ২.১১. | খ) উর্ধ্ব ট্রপোস্ফিয়ারে | ২.১৬. | ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড |

| ২.২. | গ) ট্রপোপজ | ২.৭. | খ) ব্যারোমিটার | ২.১২. | ঘ) রেইন গেজ | ২.১৭. | খ) ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে |

| ২.৩. | খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে | ২.৮. | খ) হয় না | ২.১৩. | গ) কম | ২.১৮. | ঘ) দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে |

| ২.৪. | গ) 6.5^\circ C | ২.৯. | খ) ৩৪ শতাংশ | ২.১৪. | খ) ঘনীভবন | ২.১৯. | ঘ) \text{CFC} |

| ২.৫. | খ) নাইট্রোজেন | ২.১০. | খ) চিনুক | ২.১৫. | গ) গ্রাম/ঘনমিটার | ২.২০. | খ) দিনে |


৩. তৃতীয় অধ্যায়: বারিমণ্ডল


| প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর |

|---|---|---|---|---|---|---|---|

| ৩.১. | গ) জোয়ার-ভাঁটা | ৩.৪. | খ) বায়ুপ্রবাহ | ৩.৭. | খ) ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট | ৩.১০. | গ) 90^\circ |

| ৩.২. | খ) পেরিজি | ৩.৫. | খ) সবুজ | ৩.৮. | খ) আটলান্টিক মহাসাগরে |  |  |

| ৩.৩. | গ) অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে | ৩.৬. | ঘ) প্রশান্ত মহাসাগর | ৩.৯. | গ) হামবোল্ট স্রোত |  |  |


৪. চতুর্থ অধ্যায়: বর্জ্য ব্যবস্থাপনা


| প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর |

|---|---|---|---|---|---|---|---|

| ৪.১. | গ) বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহার | ৪.৪. | গ) পুনর্ব্যবহারযোগ্য এবং অপুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্যকে আলাদা করা | ৪.৭. | গ) মিথেন গ্যাস সৃষ্টি হয় | ৪.১০. | খ) ইনসিনারেশন |

| ৪.২. | খ) প্লাস্টিক বোতল | ৪.৫. | খ) বর্জ্য হ্রাস (Reduce) | ৪.৮. | গ) শাকসবজির খোসা |  |  |

| ৪.৩. | গ) ব্যাটারির অ্যাসিড | ৪.৬. | খ) কম্পোস্টিং | ৪.৯. | গ) রিডিউস, রিইউজ, রিসাইকেল, রিকভার |  |  |


৫. পঞ্চম অধ্যায়: ভারত (প্রাকৃতিক)


| প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর |

|---|---|---|---|---|---|---|---|

| ৫.১. | গ) তেলেঙ্গানা | ৫.৫. | গ) চিল্কা হ্রদ | ৫.৯. | গ) সম্বর | ৫.১৩. | ঘ) মধ্যপ্রদেশ |

| ৫.২. | খ) ইন্দিরা কল | ৫.৬. | গ) আনাইমুদি | ৫.১০. | গ) গোদাবরী | ৫.১৪. | ক) সহ্যাদ্রি |

| ৫.৩. | ঘ) সিয়াচেন | ৫.৭. | ঘ) যমুনা | ৫.১১. | ঘ) ক্রান্তীয় মৌসুমি | ৫.১৫. | ঘ) চেমা-যুং-দুং হিমবাহ |

| ৫.৪. | গ) গুরুশিখর | ৫.৮. | গ) তামিলনাড়ু | ৫.১২. | খ) খরা হয় |  |  |


৬. পঞ্চম অধ্যায়: ভারত (অর্থনৈতিক)


| প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর |

|---|---|---|---|---|---|---|---|

| ৬.১. | গ) পশ্চিমবঙ্গ | ৬.৬. | খ) জামনগর | ৬.১১. | গ) কেরালা | ৬.১৬. | গ) ৯৪৩ |

| ৬.২. | গ) চা | ৬.৭. | গ) উত্তর প্রদেশ | ৬.১২. | খ) দ্বিতীয় | ৬.১৭. | গ) গম |

| ৬.৩. | ঘ) বোকারো | ৬.৮. | গ) কলকাতা | ৬.১৩. | ঘ) নয়াদিল্লি | ৬.১৮. | ঘ) রেলপথ |

| ৬.৪. | ঘ) বেঙ্গালুরু | ৬.৯. | গ) আকাশপথ | ৬.১৪. | গ) বিশাখাপত্তনম ইস্পাত | ৬.১৯. | ঘ) জামশেদপুর (TISCO) |

| ৬.৫. | ঘ) কান্ডালা | ৬.১০. | খ) প্রতি বর্গ কিমি | ৬.১৫. | ঘ) মুম্বাই | ৬.২০. | গ) প্রকৌশল শিল্প |


৭. ষষ্ঠ অধ্যায়: উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র


| প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর | প্রশ্ন নং | উত্তর |

|---|---|---|---|---|---|---|---|

| ৭.১. | গ) উজ্জ্বল লাল রং | ৭.৩. | খ) কালো রেখা | ৭.৫. | গ) সেন্সর | ৭.৮. | ঘ) আর্যভট্ট |

| ৭.২. | গ) ৩৫,৭৮৬ কিমি | ৭.৪. | গ) হলুদ রং | ৭.৬. | গ) বৃহৎ স্কেল | ৭.৯. | খ) গ্রাউন্ড স্টেশন |

|  |  |  |  | ৭.৭. | গ) পিক্সেল | ৭.১০. | খ) ভূমির উচ্চতা ও বন্ধুরতা |





মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026 বড় প্রশ্ন


১. নদী, হিমবাহ, এবং বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট তিনটি প্রধান ভূমিরূপের সচিত্র বর্ণনা কর?


 নদী, হিমবাহ, এবং বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট তিনটি প্রধান ভূমিরূপ এর বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো: ছবিটি তোমরা ভূগোল বই থেকে দেখে নেবে 


১. 🏞️ নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ: গিরিখাত ও ক্যানিয়ন (Gorge and Canyon)

নদীর গতিপথে সৃষ্ট প্রধান ক্ষয়জাত ভূমিরূপগুলির মধ্যে গিরিখাত ও ক্যানিয়ন অন্যতম।


 * সৃষ্টির প্রক্রিয়া: নদীর উচ্চগতিতে বা পাহাড়ি অঞ্চলে নদীর প্রধান কাজ হলো নিম্নক্ষয়। অত্যন্ত খরস্রোতা নদী যখন কঠিন শিলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন নিম্নক্ষয়ের প্রাবল্যে ইংরেজি 'V' আকৃতির গভীর উপত্যকা সৃষ্টি হয়। এই উপত্যকাকেই গিরিখাত বলে।


 * ক্যানিয়ন: সাধারণত শুষ্ক বা মরুপ্রায় অঞ্চলে এই ধরনের ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। এই অঞ্চলে নদীর নিম্নক্ষয় খুব বেশি হয়, কিন্তু পার্শ্বক্ষয় তেমন হয় না, কারণ বৃষ্টিপাতের অভাবে ভূমিধস বা ক্ষয় কম হয়। ফলে, গিরিখাত আরও গভীর ও খাড়া ঢালযুক্ত হয় এবং উপত্যকাটি অনেকটা ‘I’ আকৃতির দেখায়। এই ধরনের ভূমিরূপকে ক্যানিয়ন বলে।


 * উদাহরণ:

   * গিরিখাত: সিন্ধু, শতদ্রু ও ব্রহ্মপুত্র নদের হিমালয় অঞ্চলে সৃষ্ট গিরিখাত।


   * ক্যানিয়ন: আমেরিকার কলোরাডো নদীর উপর সৃষ্ট গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন পৃথিবীর বিখ্যাত ক্যানিয়ন।


২. ❄️ হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ: হিমদ্রোণী বা ইউ-আকৃতির উপত্যকা (Glacial Trough or U-shaped Valley)


হিমবাহের প্রধান ক্ষয়জাত ভূমিরূপ এটি।


 * সৃষ্টির প্রক্রিয়া: সাধারণত নদী উপত্যকাতেই হিমবাহের সৃষ্টি ও প্রবাহ শুরু হয়। হিমবাহ যখন তার প্রবাহ পথে এগিয়ে চলে, তখন অবঘর্ষ (Abrasion) ও উৎপাটন (Plucking) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দু'পাশের দেওয়াল এবং তলদেশ উভয়কেই সমানভাবে ক্ষয় করতে থাকে। নদী সৃষ্ট 'V' আকৃতির উপত্যকাটি হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে ক্রমশ চওড়া ও গভীর হয়ে ইংরেজি 'U' অক্ষরের মতো রূপ নেয়। এই উপত্যকাকে হিমদ্রোণী বা ইউ-আকৃতির উপত্যকা বলা হয়।


 * বৈশিষ্ট্য: এই উপত্যকার তলদেশ হয় প্রায় সমতল এবং দু'পাশের ঢাল হয় খুবই খাড়া।


 * উদাহরণ: হিমালয় পর্বতে এই ধরনের বহু উপত্যকা দেখা যায়।


৩. 💨 বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ: ইনসেলবার্গ (Inselberg)


বায়ুর ক্ষয়কার্য প্রধানত মরু অঞ্চলে দেখা যায় এবং ইনসেলবার্গ সেই ক্ষয়জাত ভূমিরূপের একটি উদাহরণ।


 * সৃষ্টির প্রক্রিয়া: মরু অঞ্চলে বায়ুর অপসারণ, অবঘর্ষ ও ঘর্ষণ প্রক্রিয়ায় ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটে। মরু অঞ্চলের কোমল শিলাগুলি দ্রুত ক্ষয় হয়ে অপসারিত হয়। কিন্তু কঠিন শিলা গঠিত পাহাড়ের অবশিষ্ট অংশ সহজে ক্ষয় না হয়ে বিচ্ছিন্ন টিলার মতো মরুভূমির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকে। এই অবশিষ্ট কঠিন শিলাগঠিত পাহাড়গুলিকে ইনসেলবার্গ (Inselberg), বা জার্মানে "দ্বীপ-শৈল" বলা হয়।


 * বৈশিষ্ট্য: এদের মাথা হয় গোলাকার এবং পার্শ্বদেশ হয় খাড়া।


 * উদাহরণ: আফ্রিকার কালাহারি মরুভূমি এবং ভারতের রাজস্থানের মরুভূমি অঞ্চলে ইনসেলবার্গ দেখা যায়।



------

২. জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ এবং এর গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলগুলি আলোচনা কর?


জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ এবং এর গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলগুলি নিচে বর্ণনা করা হলো:


১. 🌊 জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির কারণ (Causes of Tides)

জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধানত দুটি কারণ রয়েছে:

ক. মহাকর্ষ বল (Gravitational Force)


 * চাঁদের আকর্ষণ: পৃথিবী এবং চাঁদ একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকা সত্ত্বেও, চাঁদের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবীর জলরাশির ওপর একটি আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি থাকায়, এটি সূর্যের চেয়ে বেশি আকর্ষণ সৃষ্টি করে।


   * পৃথিবীর যে অংশটি চাঁদের ঠিক সামনে থাকে, সেই অংশের জলরাশি সবচেয়ে বেশি জোরে আকৃষ্ট হয়ে ফুলে ওঠে, একে প্রত্যক্ষ জোয়ার (Direct Tide) বলে।


খ. কেন্দ্রাতিগ বা বহির্মুখী বল (Centrifugal Force)


 * চাঁদ এবং পৃথিবী উভয়েই একটি সাধারণ ভরকেন্দ্রকে (Common Centre of Mass) কেন্দ্র করে আবর্তন করে।


 * এই আবর্তনের ফলে পৃথিবীর জলরাশির ওপর একটি কেন্দ্রাতিগ বল সৃষ্টি হয়, যা জলরাশিকে কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে ঠেলে দিতে চায়।


 * চাঁদের আকর্ষণে সৃষ্ট প্রত্যক্ষ জোয়ারের বিপরীত দিকে অবস্থিত জলরাশির ওপর এই কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাব সবচেয়ে বেশি হয়। এই বলের প্রভাবে জলরাশি বাইরের দিকে ফুলে ওঠে, একে পরোক্ষ জোয়ার (Indirect Tide) বলে।


> এক নজরে: চাঁদ বা সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এক দিকে প্রত্যক্ষ জোয়ার এবং এই ব্যবস্থার আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে তার বিপরীত দিকে পরোক্ষ জোয়ার সৃষ্টি হয়। এই দুটি জোয়ারের মধ্যবর্তী স্থানে জলস্তর নেমে গিয়ে ভাটা সৃষ্টি হয়।


২. 📈 জোয়ার-ভাটার ফলাফল (Effects of Tides)


জোয়ার-ভাটার কারণে প্রকৃতি ও মানব জীবনে নানাবিধ প্রভাব দেখা যায়:


ক. অর্থনৈতিক গুরুত্ব


 * বিদ্যুৎ উৎপাদন: জোয়ার-ভাটার শক্তির সাহায্যে জোয়ার-ভাটা শক্তি কেন্দ্র (Tidal Power Plants) স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। (যেমন, গুজরাটের কচ্ছ উপসাগরে)।


 * বন্দর ও জাহাজ চলাচল: জোয়ারের সময় জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় বড় বড় জাহাজগুলি নদীর মোহনা বা অগভীর বন্দরে সহজে প্রবেশ করতে ও নোঙর করতে পারে। ভাটার সময় এগুলি আবার বন্দর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পারে।


 * নাব্যতা রক্ষা: জোয়ারের সময় জলস্রোতের ধাক্কায় নদীর মোহনায় জমে থাকা পলি বা বালু অপসারিত হয়, যা নদীর নাব্যতা (Depth for Navigation) বজায় রাখতে সাহায্য করে।


খ. প্রাকৃতিক প্রভাব


 * আবর্জনার অপসারণ: জোয়ারের শক্তিশালী স্রোতে উপকূল ও নদীর মোহনার আবর্জনা, দূষিত পদার্থ এবং কাদা সমুদ্রে চলে যায়, যা তীরভূমিকে পরিষ্করণে সহায়তা করে।


 * জীববৈচিত্র্য: জোয়ার-ভাটার প্রভাবে সৃষ্ট লবণাক্ত পরিবেশ উপকূলবর্তী অঞ্চলে (যেমন, ম্যানগ্রোভ অরণ্যে) এক বিশেষ ধরনের জীববৈচিত্র্য বজায় রাখে।


 * সময় নির্ধারণ: জোয়ার-ভাটার ব্যবধান থেকে প্রাচীনকালে স্থানীয় সময় ও তিথি নির্ণয় করা হতো।


------


৩. 


১. নদী উপত্যকা ও হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য (Difference between River Valley and Glacial Valley)


| বৈশিষ্ট্যের ভিত্তি | নদী উপত্যকা (River Valley) | হিমবাহ উপত্যকা (Glacial Valley) |



| আকার | 


নদী উপত্যকা সাধারণত ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো দেখতে হয়। | হিমবাহ উপত্যকা সাধারণত ইংরেজি 'U' অক্ষরের মতো দেখতে হয়। |



| প্রক্রিয়া | 


নদী উপত্যকা প্রধানত নিম্নক্ষয় (Vertical Erosion) ও পার্শ্বক্ষয় (Lateral Erosion) প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়। | হিমবাহ উপত্যকা প্রধানত উৎপাটন (Plucking) ও অবঘর্ষ (Abrasion) প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়। |



| ঢাল | 


নদী উপত্যকার পার্শ্বদেশগুলি সাধারণত ঢালু হয়। | হিমবাহ  উপত্যকার পার্শ্বদেশগুলি সাধারণত খাড়া বা প্রায় উল্লম্ব হয়। |



| তলদেশ | 


নদী উপত্যকার তলদেশ সাধারণত অসমতল বা বন্ধুর হয়। | হিমবাহ উপত্যকা তলদেশ সাধারণত সমতল বা মসৃণ প্রকৃতির হয় (হিমবাহের ঘর্ষণের ফলে)। |


| উদাহরণ | 


নদী উচ্চ গতিতে নদীর সৃষ্ট গিরিখাত। |হিমবাহ উপত্যকা হিমালয় অঞ্চলে বহু 'U' আকৃতির উপত্যকা দেখা যায়। |



২. গিরিখাত ও ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য (Difference between Gorge and Canyon)


| বৈশিষ্ট্যের ভিত্তি | গিরিখাত (Gorge) | ক্যানিয়ন (Canyon) |

|---|---|---|

| আকৃতি | 


গিরিখাত সাধারণত ইংরেজি 'V' আকৃতির গভীর উপত্যকা। | ক্যানিয়ন সাধারণত ইংরেজি 'I' আকৃতির বা অত্যন্ত গভীর ও খাড়া ঢালযুক্ত উপত্যকা। |


| সৃষ্টির কারণ | 


গিরিখাত মূলত নদীর প্রবল নিম্নক্ষয় এবং অপেক্ষাকৃত আর্দ্র অঞ্চলে পার্শ্বক্ষয়ের প্রভাবে সৃষ্টি হয়। | ক্যানিয়ন শুষ্ক বা মরুপ্রায় অঞ্চলে সৃষ্টি হয়, যেখানে নদীর নিম্নক্ষয় প্রবল হলেও পার্শ্বক্ষয় প্রায় হয় না। |



| প্রকৃতি |


গিরিখাত পার্শ্বদেশ খাড়া হলেও ক্যানিয়নের মতো এত বেশি খাড়া হয় না। | ক্যানিয়ন পার্শ্বদেশগুলি প্রায় উল্লম্ব হয়। |


| উদাহরণ |


 গিরিখাত সিন্ধু, শতদ্রু, ব্রহ্মপুত্র নদের হিমালয়ে সৃষ্ট গিরিখাত। | ক্যানিয়ন আমেরিকার কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন। |



৩. বার্খান ও সিফ বালিয়াড়ির মধ্যে পার্থক্য (Difference between Barchan and Seif Dunes)


| বৈশিষ্ট্যের ভিত্তি | বার্খান বা অর্ধচন্দ্রাকার বালিয়াড়ি (Barchan) | সিফ বা অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি (Seif) |

|---|---|---|


| আকার | 


বার্খান দেখতে অনেকটা অর্ধচন্দ্রাকার (Half-moon shaped)। | অর্ধচন্দ্রাকার দেখতে অনেকটা লম্বা ও সরলরৈখিক বা তরবারির মতো। |


| সৃষ্টির প্রক্রিয়া | 


বার্খান প্রধানত একমুখী (One-way) এবং নিয়মিত বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে সৃষ্টি হয়। | অর্ধচন্দ্রাকার মূলত বায়ুপ্রবাহের দিকের সঙ্গে সমান্তরালভাবে সৃষ্টি হয় এবং পার্শ্ববর্তী বায়ুপ্রবাহের তারতম্যে গঠিত হয়। |



| শৃঙ্গ ও বাহু | 


বার্খান বায়ুপ্রবাহের দিকে এর দুটি শিং বা বাহু থাকে। | অর্ধচন্দ্রাকার এর কেবল একটি দীর্ঘ ও তীক্ষ্ণ শীর্ষ থাকে, যা বায়ুপ্রবাহের দিকে বিস্তৃত হয়। |



| উদাহরণ |


বার্খান সাহারা মরুভূমি, থর মরুভূমিতে দেখা যায়। |অর্ধচন্দ্রাকার সাহারা মরুভূমিতে এই ধরনের বালিয়াড়ি প্রচুর দেখা যায়। |


 মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন


৪. সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণ (Causes of Ocean Currents)


সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির জন্য একাধিক প্রাকৃতিক শক্তি কাজ করে। প্রধান কারণগুলি হলো:


ক. গ্রহীয় বায়ুপ্রবাহ (Planetary Winds)


 * এটি সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ।


 * সারা বছর ধরে প্রবাহিত নিয়ত বায়ুপ্রবাহ (যেমন অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু) সমুদ্রের উপরিভাগের জলকে নির্দিষ্ট দিকে ঠেলে নিয়ে যায়, ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়।


 * উদাহরণ: উত্তর-পূর্ব আয়ন বায়ুর প্রভাবে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের সৃষ্টি।


খ. সমুদ্রজলের ঘনত্বের পার্থক্য (Difference in Density of Seawater)


 * সমুদ্রজলের উষ্ণতা ও লবণাক্ততার তারতম্যের কারণে ঘনত্বের পার্থক্য সৃষ্টি হয়।


 * ভারী ও ঘন জল (ঠান্ডা বা বেশি লবণাক্ত) নিচের দিকে নেমে যায় এবং সেই স্থান পূরণের জন্য হালকা জল (গরম বা কম লবণাক্ত) অনুভূমিকভাবে প্রবাহিত হয়ে স্রোতের সৃষ্টি করে।


গ. সমুদ্রজলের উষ্ণতার পার্থক্য (Difference in Temperature of Seawater)


 * নিরক্ষীয় অঞ্চলের উষ্ণ জল হালকা হওয়ায় মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় এবং মেরু অঞ্চলের শীতল, ভারী জল নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।


ঘ. পৃথিবীর আবর্তন গতি (Rotation of the Earth)


 * পৃথিবীর আবর্তন গতির কারণে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোতগুলি উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাঁদিকে বেঁকে যায়।


ঙ. বাষ্পীভবন ও বৃষ্টিপাতের পার্থক্য (Difference in Evaporation and Precipitation)


 * যে অঞ্চলে বাষ্পীভবন বেশি হয়, সেখানে জলস্তর কমে যায় ও লবণাক্ততা বাড়ে। ফলে ঘন জল নিচের দিকে নেমে আসে এবং এই শূন্যস্থান পূরণের জন্য অন্য এলাকা থেকে কম লবণাক্ত জল অনুভূমিকভাবে ছুটে আসে, যা স্রোত সৃষ্টি করে।


৫. বদ্বীপ গঠনের অনুকূল পরিবেশ (Favourable Conditions for Delta Formation)


নদী ও সমুদ্রের মিলিত প্রভাবে বদ্বীপ (Delta) সৃষ্টি হয়। একটি বৃহৎ বদ্বীপ গঠনের জন্য নিম্নলিখিত অনুকূল পরিবেশগুলি প্রয়োজন:


ক. নদীর পলির জোগান (Supply of Sediments)


 * নদীর পার্বত্য অঞ্চল: নদীর উৎস অঞ্চলে ক্ষয়কার্যের তীব্রতা বেশি হতে হবে, যাতে নদী প্রচুর পরিমাণে পলি, বালি ও কাঁকর বহন করে আনতে পারে।


 * পলিবহনের হার: নদীর গতিপথে পলিবহনের হার যথেষ্ট বেশি হতে হবে।


খ. সমুদ্রের অগভীরতা (Shallow Sea)


 * নদীর মোহনা সংলগ্ন সমুদ্রের গভীরতা কম হতে হবে। গভীর সমুদ্রে পলি সঞ্চিত হওয়ার আগেই তলিয়ে যায়, ফলে বদ্বীপ গঠিত হতে পারে না।


গ. সমুদ্রস্রোত ও জোয়ার-ভাটার দুর্বলতা (Weak Currents and Tides)


 * দুর্বল সমুদ্রস্রোত: নদীর মোহনায় শক্তিশালী সমুদ্রস্রোত বা ঢেউ থাকলে নদী বাহিত পলিকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায় বা ছড়িয়ে দেয়। তাই বদ্বীপ গঠনের জন্য দুর্বল সমুদ্রস্রোত থাকা বাঞ্ছনীয়।


 * কম জোয়ার-ভাটা: মোহনায় জোয়ার-ভাটার তীব্রতা কম হলে পলি সহজে জমা হতে পারে। যদি জোয়ার-ভাটার তীব্রতা বেশি হয়, তবে স্রোতের টানে পলি সমুদ্রে চলে যায়।


ঘ. নদীর গতিবেগ (River Velocity)


 * নিম্ন গতিতে কম গতিবেগ: নদী যখন মোহনার কাছে আসে, তখন তার গতিবেগ অত্যন্ত কমে যাওয়া প্রয়োজন। গতি কমলে তবেই বহন করে আনা পলি সহজে সঞ্চিত হতে পারে।


ঙ. নদীগর্ভ প্রশস্ত হওয়া (Wide River Bed)


 * পলি জমার জন্য নদীর মোহনা বা নদীগর্ভ যথেষ্ট প্রশস্ত হওয়া দরকার।


 * উদাহরণ: এই সকল কারণ অনুকূল থাকায় গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদী মিলিতভাবে পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ সৃষ্টি করেছে।



-------


 মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026 ম্যাপ পয়েন্টিং

🗺️ ম্যাপ পয়েন্টিং (Map Pointing)


ম্যাপ পয়েন্টিং-এর জন্য প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলি অভ্যাস করা জরুরি। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ দেওয়া হলো:


 * পর্বত ও পাহাড়: আরাবল্লী পর্বত, বিন্ধ্য পর্বত, সাতপুরা পর্বত, শিবালিক পর্বত, নীলগিরি পর্বত, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সমভূমি।


 * নদী ও হ্রদ: নর্মদা নদী, তাপ্তি নদী, গোদাবরী নদী, চিল্কা হ্রদ, উলার হ্রদ।


 * কৃষি ও শিল্প কেন্দ্র: যেকোনো একটি প্রধান কার্পাস বয়ন শিল্প কেন্দ্র (যেমন মুম্বাই, আহমেদাবাদ), লৌহ-ইস্পাত শিল্প কেন্দ্র (যেমন জামশেদপুর, ভিলাই), চা উৎপাদন অঞ্চল, কফি উৎপাদন অঞ্চল।


 * মৃত্তিকা: মরু মৃত্তিকা অঞ্চল, কৃষ্ণ মৃত্তিকা অঞ্চল।




Tags:
  • Older

    মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2026|| মাধ্যমিক 2026 ভূগোল সাজেশন প্রশ্ন উত্তর সহ ||

Post a Comment

0 Comments

Post a Comment (0)
3/related/default