- বারিমণ্ডল: জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির কারণ ও ফলাফল এবং সমুদ্রস্রোত (বিশেষত প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগর)।
পৃথিবীর চারভাগের তিনভাগই জল। এই বিশাল জলরাশি বা বারিমণ্ডল স্থির নয়; এটি প্রতিনিয়ত গতিশীল। বারিমণ্ডলের এই গতির দুটি প্রধান রূপ হলো জোয়ার-ভাটা এবং समुদ্রস্রোত। আজকের আলোচনায় আমরা এই দুই বিষয়ের বৈজ্ঞানিক কারণ, প্রভাব এবং প্রধান মহাসাগরীয় স্রোতগুলো নিয়ে বিস্তারিত জানব।
জোয়ার-ভাটা: সংজ্ঞা ও সৃষ্টির কারণ
সমুদ্রের জলরাশি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর এক জায়গায় ফুলে ওঠে এবং অন্য জায়গায় নেমে যায়। জলের এই ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণসমূহ
জোয়ার-ভাটা মূলত দুটি প্রধান শক্তির প্রভাবে ঘটে:
১. চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তি: মহাকাশে যে বস্তুর ভর যত বেশি, তার আকর্ষণ শক্তিও তত বেশি। সূর্য চাঁদের তুলনায় অনেক বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব অনেক বেশি। তাই পৃথিবীর ওপর সূর্যের তুলনায় চাঁদের আকর্ষণ শক্তি প্রায় দ্বিগুণ। এই আকর্ষণের ফলেই সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে।
২. পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি (Centrifugal Force): পৃথিবী তার নিজের অক্ষের চারদিকে অনবরত ঘুরছে। এই আবর্তনের ফলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে একটি শক্তির সৃষ্টি হয়, যাকে কেন্দ্রাতিগ শক্তি বলে। এই শক্তির প্রভাবে চাঁদের আকর্ষণের বিপরীত দিকেও জলরাশি ফুলে ওঠে এবং জোয়ার সৃষ্টি হয়।
জোয়ার-ভাটার প্রকারভেদ ও ফলাফল
জোয়ার-ভাটা সবসময় একই তীব্রতায় হয় না। অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে একে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
* ভরা কোটাল (Spring Tide): অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। ফলে আকর্ষণ শক্তি প্রবল হয় এবং জোয়ারের জল অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়।
* মরা কোটাল (Neap Tide): শুক্লপক্ষ ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে (90^\circ) অবস্থান করে। এতে দুই দিকের আকর্ষণ একে অপরকে প্রশমিত করে, ফলে জোয়ার খুব মৃদু হয়।
জোয়ার-ভাটার প্রভাব বা ফলাফল
১. নদীর নাব্যতা রক্ষা: জোয়ারের সময় প্রচুর জল নদীতে প্রবেশ করে, যা নদীর আবর্জনা ও পলি পরিষ্কার করে মোহনাকে গভীর রাখে।
২. নৌ-চলাচল: জোয়ারের সময় জল বাড়লে বড় জাহাজগুলো সহজেই বন্দরে প্রবেশ করতে পারে।
৩. বিদ্যুৎ উৎপাদন: জোয়ার-ভাটার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে অনেক দেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
৪. মাছ ধরা: জোয়ারের সাথে প্রচুর সামুদ্রিক মাছ নদীতে চলে আসে, যা জেলেদের জন্য সুবিধাজনক।
আরও বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক তথ্যের জন্য আপনি National Geographic-এর জোয়ার-ভাটা সংক্রান্ত তথ্য{:target="_blank"} দেখতে পারেন।
সমুদ্রস্রোত: সৃষ্টির কারণ ও গুরুত্ব
সমুদ্রের উপরিভাগের জলরাশি যখন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে সমুদ্রস্রোত বলে। এটি মূলত বায়ুপ্রবাহ, পৃথিবীর আবর্তন এবং জলের উষ্ণতার পার্থক্যের কারণে ঘটে।
সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণ
* নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ। বিশেষ করে অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ুর প্রভাবে জলরাশি প্রবাহিত হয়।
* পৃথিবীর আবর্তন (Coriolis Force): ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী, পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
* উষ্ণতা ও লবণাক্ততার পার্থক্য: নিরক্ষীয় অঞ্চলের জল উষ্ণ ও হালকা বলে ওপর দিয়ে মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় (উষ্ণ স্রোত)। বিপরীতে, মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জল নীচ দিয়ে নিরক্ষরেখার দিকে আসে (শীতল স্রোত)।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় সমুদ্রস্রোত
পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগরে দুই ধরনের স্রোত দেখা যায়:
১. উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় স্রোত
* কিউরোশিও বা জাপান স্রোত (উষ্ণ): এটি নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে জাপানের দিকে প্রবাহিত হয়। এই স্রোতের প্রভাবে জাপানের উপকূলীয় জলবায়ু মনোরম থাকে।
* ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত (শীতল): উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিম উপকূল দিয়ে প্রবাহিত এই স্রোতটি বেশ শীতল।
২. দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় স্রোত
* পেরু বা হামবোল্ড স্রোত (শীতল): দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল দিয়ে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়। এল নিনো ও লা নিনা প্রভাবে এই স্রোতটি বিশ্ব জলবায়ুতে বিশাল ভূমিকা রাখে।
* পূর্ব অস্ট্রেলীয় স্রোত (উষ্ণ): এটি অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
আটলান্টিক মহাসাগরীয় সমুদ্রস্রোত
আটলান্টিক মহাসাগরের স্রোতগুলো বাণিজ্য ও জলবায়ুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১. উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত
* উপসাগরীয় স্রোত (Gulf Stream): এটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী উষ্ণ স্রোত। মেক্সিকো উপসাগর থেকে শুরু হয়ে এটি ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত উষ্ণতা পৌঁছে দেয়, যার ফলে শীতকালেও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ ও নরওয়ের বন্দরগুলো বরফমুক্ত থাকে।
* ল্যাব্রাডর স্রোত (শীতল): গ্রিনল্যান্ডের পশ্চিম পাশ দিয়ে এটি দক্ষিণে প্রবাহিত হয় এবং হিমশৈল বয়ে আনে।
২. দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত
* ব্রাজিল স্রোত (উষ্ণ): দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল বরাবর দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
* বেঙ্গুয়েলা স্রোত (শীতল): আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল দিয়ে প্রবাহিত একটি শীতল স্রোত।
মহাসাগরীয় স্রোত ও তাদের গতিপথ সম্পর্কে গভীর ধারণার জন্য NOAA-এর সমুদ্রবিজ্ঞান পোর্টাল{:target="_blank"} অনুসরণ করা যেতে পারে।
ব্যক্তিগত পরামর্শ ও পরীক্ষার টিপস
ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে আমার পরামর্শ হলো, বারিমণ্ডলের এই অধ্যায়টি পড়ার সময় অবশ্যই একটি পৃথিবীর মানচিত্র (Map) সামনে রাখবে। প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরের স্রোতগুলোর গতিপথ যদি ম্যাপে একবার চিহ্নিত করতে পারো, তবে মুখস্থ করার প্রয়োজন হবে না। পরীক্ষায় জোয়ার-ভাটা বা স্রোতের চিত্র অঙ্কন করলে অনেক বেশি নম্বর পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে 'উপসাগরীয় স্রোত' এবং 'কিউরোশিও স্রোত' সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
উপসংহার
বারিমণ্ডলের জোয়ার-ভাটা এবং সমুদ্রস্রোত শুধু প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনীতি এবং জলবায়ুর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান আমাদের পরিবেশকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
আপনি কি ভূগোল বিষয়ের আরও কোনো জটিল টপিক সহজভাবে বুঝতে চান? আমাদের কমেন্ট করে জানান অথবা পরবর্তী আর্টিকেলে চোখ রাখুন!
> আপনার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ: আপনি কি চাচ্ছেন আমি প্রশান্ত মহাসাগরের 'এল নিনো' (El Niño) প্রভাব নিয়ে আলাদা একটি বিস্তারিত নোট তৈরি করে দিই? জানালে আমি সে অনুযায়ী লিখে দিতে পারি।
>
❓ FAQ: বারিমণ্ডল (Hydrosphere)
1️⃣ বারিমণ্ডল কাকে বলে?
উত্তর:
পৃথিবীর সমস্ত জলভাগ—যেমন সমুদ্র, মহাসাগর, নদী, হ্রদ, হিমবাহ ও ভূগর্ভস্থ জল—মিলিয়ে যে স্তর গঠিত হয়েছে তাকে বারিমণ্ডল বলা হয়।
2️⃣ জোয়ার-ভাটা কী?
উত্তর:
সমুদ্রের জল নির্দিষ্ট সময় অন্তর উপকূলে উঠে এলে তাকে জোয়ার এবং জল সরে গেলে তাকে ভাটা বলা হয়।
3️⃣ জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?
উত্তর:
জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো—
- 🌙 চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ (সবচেয়ে বেশি প্রভাব)
- ☀️ সূর্যের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ
- 🌍 পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি
4️⃣ চাঁদের আকর্ষণ সূর্যের তুলনায় বেশি প্রভাব ফেলে কেন?
উত্তর:
চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছাকাছি অবস্থান করায় তার মহাকর্ষীয় আকর্ষণ সূর্যের তুলনায় বেশি কার্যকর হয়, তাই জোয়ার-ভাটায় চাঁদের ভূমিকা প্রধান।
5️⃣ জোয়ার-ভাটার প্রকারভেদ কী কী?
উত্তর:
জোয়ার-ভাটা প্রধানত দুই প্রকার—
- মহাজোয়ার (Spring Tide) – অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় হয়
- নিম্ন জোয়ার (Neap Tide) – অষ্টমী ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমীতে হয়
6️⃣ জোয়ার-ভাটার উপকারিতা কী?
উত্তর:
জোয়ার-ভাটার উপকারিতা—
- নৌ চলাচলে সহায়তা করে
- মৎস্য আহরণ সহজ হয়
- সমুদ্র বন্দর পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে
- জোয়ারবিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়ক
7️⃣ জোয়ার-ভাটার ক্ষতিকর দিক কী?
উত্তর:
- উপকূল ক্ষয় হয়
- বন্যা সৃষ্টি হতে পারে
- উপকূলবর্তী বসতি ও কৃষিজমির ক্ষতি হয়
8️⃣ সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?
উত্তর:
সমুদ্রের জল যখন নির্দিষ্ট দিক ও গতিতে দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাহিত হয়, তাকে সমুদ্রস্রোত বলা হয়। অথবা,
নির্দিষ্ট দিকে সমুদ্রের উপরিভাগের জলের নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল প্রবাহকে সমুদ্রস্রোত বলে। এটি মূলত বায়ুপ্রবাহ, পৃথিবীর আবর্তন এবং জলের উষ্ণতা ও লবণাক্ততার পার্থক্যের কারণে ঘটে।
9️⃣ সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণ কী কী?
উত্তর:
সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ—
- তাপমাত্রার পার্থক্য
- বায়ুপ্রবাহ
- পৃথিবীর ঘূর্ণন (কোরিওলিস বল)
- লবণাক্ততার পার্থক্য
- উপকূল ও মহাদেশের অবস্থান
🔟 প্রশান্ত মহাসাগরের প্রধান সমুদ্রস্রোত কোনগুলি?
উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রস্রোত—
- কুরোশিও স্রোত (উষ্ণ)
- ওয়েস্ট উইন্ড ড্রিফট
- ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত (শীতল)
- হামবোল্ট স্রোত (শীতল)
1️⃣1️⃣ আটলান্টিক মহাসাগরের প্রধান সমুদ্রস্রোত কোনগুলি?
উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরের প্রধান স্রোত—
- গালফ স্ট্রিম (উষ্ণ)
- ল্যাব্রাডর স্রোত (শীতল)
- ক্যানারি স্রোত
- ব্রাজিল স্রোত
1️⃣2️⃣ গালফ স্ট্রিম কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর:
গালফ স্ট্রিম ইউরোপের জলবায়ুকে উষ্ণ ও সহনীয় করে তোলে। এই স্রোতের জন্যই পশ্চিম ইউরোপে শীত তুলনামূলকভাবে কম।
1️⃣3️⃣ সমুদ্রস্রোতের জলবায়ুতে প্রভাব কী?
উত্তর:
- উষ্ণ স্রোত উপকূলকে উষ্ণ ও আর্দ্র করে
- শীতল স্রোত উপকূলে শুষ্কতা আনে
- বৃষ্টিপাত ও মরুভূমি গঠনে প্রভাব ফেলে
1️⃣4️⃣ জোয়ার-ভাটা ও সমুদ্রস্রোতের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর:
- জোয়ার-ভাটা সময়ভিত্তিক জল ওঠানামা
- সমুদ্রস্রোত দীর্ঘস্থায়ী জলপ্রবাহ
- জোয়ার-ভাটা মূলত চাঁদের কারণে
- সমুদ্রস্রোত বহু প্রাকৃতিক কারণে হয়
1️⃣5️⃣ পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেতে কোন পয়েন্ট মনে রাখবে?
উত্তর:
- সংজ্ঞা স্পষ্ট লিখবে
- কারণ ও ফলাফল আলাদা করে লিখবে
- উদাহরণ (গালফ স্ট্রিম, কুরোশিও) দেবে
- প্রয়োজনে ছোট ছক বা বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করবে
📝 MCQ সেট: বারিমণ্ডল (Hydrosphere)
1️⃣ জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ কোনটি?
A. বায়ুচাপ
B. চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ
C. পৃথিবীর অভিকর্ষ
D. সমুদ্রের গভীরতা
✅ সঠিক উত্তর: B
2️⃣ জোয়ার-ভাটায় সূর্যের ভূমিকা কেমন?
A. নেই
B. চাঁদের তুলনায় বেশি
C. চাঁদের তুলনায় কম
D. সমান
✅ সঠিক উত্তর: C
3️⃣ পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় কোন জোয়ার ঘটে?
A. নিম্ন জোয়ার
B. নিত্য জোয়ার
C. মহাজোয়ার
D. অল্প জোয়ার
✅ সঠিক উত্তর: C
4️⃣ নিম্ন জোয়ার (Neap Tide) ঘটে—
A. পূর্ণিমায়
B. অমাবস্যায়
C. অষ্টমীতে
D. সংক্রান্তিতে
✅ সঠিক উত্তর: C
5️⃣ সমুদ্রের জলের নিয়মিত প্রবাহকে কী বলে?
A. জোয়ার
B. ভাটা
C. সমুদ্রস্রোত
D. ঢেউ
✅ সঠিক উত্তর: C
6️⃣ গালফ স্ট্রিম কোন মহাসাগরে প্রবাহিত?
A. ভারত মহাসাগর
B. প্রশান্ত মহাসাগর
C. আটলান্টিক মহাসাগর
D. আর্কটিক মহাসাগর
✅ সঠিক উত্তর: C
7️⃣ নিচের কোনটি উষ্ণ সমুদ্রস্রোত?
A. ল্যাব্রাডর স্রোত
B. ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত
C. গালফ স্ট্রিম
D. হামবোল্ট স্রোত
✅ সঠিক উত্তর: C
8️⃣ কুরোশিও স্রোত কোন মহাসাগরের অন্তর্গত?
A. আটলান্টিক
B. প্রশান্ত
C. ভারত
D. দক্ষিণ মহাসাগর
✅ সঠিক উত্তর: B
9️⃣ কোন সমুদ্রস্রোত ইউরোপের জলবায়ু উষ্ণ করে?
A. ল্যাব্রাডর
B. ক্যানারি
C. গালফ স্ট্রিম
D. হামবোল্ট
✅ সঠিক উত্তর: C
🔟 সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির একটি প্রধান কারণ নয় কোনটি?
A. তাপমাত্রার পার্থক্য
B. লবণাক্ততা
C. বায়ুপ্রবাহ
D. চাঁদের আকর্ষণ
✅ সঠিক উত্তর: D
1️⃣1️⃣ হামবোল্ট স্রোত কোন প্রকৃতির?
A. উষ্ণ
B. শীতল
C. মৌসুমি
D. পরিবর্তনশীল
✅ সঠিক উত্তর: B
1️⃣2️⃣ পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে সৃষ্ট প্রভাবকে কী বলে?
A. গ্রাভিটি বল
B. কেন্দ্রমুখী বল
C. কোরিওলিস বল
D. তাপ বল
✅ সঠিক উত্তর: C
1️⃣3️⃣ কোন স্রোত উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে প্রবাহিত?
A. ব্রাজিল স্রোত
B. ক্যানারি স্রোত
C. গালফ স্ট্রিম
D. হামবোল্ট স্রোত
✅ সঠিক উত্তর: C
1️⃣4️⃣ শীতল সমুদ্রস্রোতের প্রভাব কী?
A. বেশি বৃষ্টি
B. উষ্ণতা বৃদ্ধি
C. শুষ্ক জলবায়ু
D. ঘূর্ণিঝড় বৃদ্ধি
✅ সঠিক উত্তর: C
1️⃣5️⃣ জোয়ার-ভাটার একটি অর্থনৈতিক গুরুত্ব হলো—
A. ভূমিক্ষয়
B. মরুভূমি সৃষ্টি
C. জোয়ারবিদ্যুৎ উৎপাদন
D. হিমবাহ সৃষ্টি
✅ সঠিক উত্তর: C

