বহির্জাত প্রক্রিয়া ও ভূমিরূপ: নদী, বায়ু, হিমবাহ ও সুন্দরবন | জিওগ্রাফি নোটস

Best Online Education
By -
0

 

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও গঠিত ভূমিরূপ: নদী, বায়ু, হিমবাহ ও সুন্দরবনের বিস্তারিত আলোচনা


বহির্জাত-প্রক্রিয়া-ও-ভূমিরূপ

পৃথিবীর ওপরের ভাগ বা ভূত্বক সর্বদা পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করে দুটি প্রধান শক্তি—অন্তর্জাত প্রক্রিয়া (Endogenetic) এবং বহির্জাত প্রক্রিয়া (Exogenetic)। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা মূলত বহির্জাত প্রক্রিয়া এবং এর মাধ্যমে নদী, বায়ু ও হিমবাহ কীভাবে পৃথিবীর চেহারা বদলে দেয়, তা নিয়ে আলোচনা করব। বিশেষ করে আমাদের গর্বের সুন্দরবন অঞ্চলের ভূমিরূপ নিয়েও থাকবে বিশেষ আলোচনা।

ছাত্রছাত্রীরা, তোমরা যদি এই নোটটি ভালো করে পড়ো এবং পরীক্ষার খাতায় উদাহরণসহ লিখতে পারো, তবে ভালো নম্বর পাওয়া নিশ্চিত।

১. বহির্জাত প্রক্রিয়া (Exogenetic Processes) কী?

যেসব প্রাকৃতিক শক্তি ভূপৃষ্ঠের বাইরের অংশে কাজ করে ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায়, তাকে বহির্জাত প্রক্রিয়া বলে। সহজ কথায়, নদী, বায়ু, হিমবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ প্রভৃতি শক্তি দীর্ঘকাল ধরে ক্ষয় ও সঞ্চয় কাজের মাধ্যমে উঁচু ভূমিকে নিচু এবং নিচু ভূমিকে ভরাট করে একটি সমতল ভাব আনার চেষ্টা করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে পর্যায়ণ (Gradation) বলা হয়।

এই প্রক্রিয়ার শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য

২. নদীর কার্য ও সৃষ্ট ভূমিরূপ (Work of River and Landforms)

ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নদীর ভূমিকা সবথেকে বেশি। নদী মূলত তিনটি কাজ করে—ক্ষয়, বহন এবং সঞ্চয়।

ক) নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ

নদীয় উচ্চগতিতে বা পার্বত্য প্রবাহে প্রবল স্রোতের কারণে ক্ষয়কার্য বেশি হয়। এর ফলে গঠিত প্রধান ভূমিরূপগুলি হলো:

১. 'I' ও 'V' আকৃতির উপত্যকা: প্রবল স্রোতের কারণে নদীখাত গভীর হয়। ইংরেজি 'I' বা 'V' অক্ষরের মতো দেখতে এই উপত্যকা তৈরি হয়। ২. গিরিখাত ও ক্যানিয়ন (Gorge & Canyon): খুব গভীর ও সংকীর্ণ নদী উপত্যকাকে গিরিখাত বলে (যেমন—সিন্ধু নদের গিরিখাত)। আর শুষ্ক অঞ্চলের গভীর গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলে (যেমন—গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন)। ৩. জলপ্রপাত (Waterfall): নদীর গতিপথে হঠাৎ কঠিন শিলা থেকে নরম শিলা থাকলে, জল খাড়াভাবে নিচে পড়লে জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়। ভারতের যোগ জলপ্রপাত এর উদাহরণ।

খ) নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ

নদী যখন মধ্য ও নিম্নগতিতে প্রবাহিত হয়, তখন স্রোত কমে যায় এবং বালি-পলি জমা হতে থাকে।

১. পলল ব্যজনী (Alluvial Fan): পর্বত থেকে সমভূমিতে নামার সময় নদীর পলি জমে হাতপাখার মতো যে ভূমিরূপ তৈরি করে, তাকে পলল ব্যজনী বলে। হিমালয়ের পাদদেশে এটি দেখা যায়। ২. অশ্বক্ষুরাৃতি হ্রদ (Ox-bow Lake): সমভূমিতে নদী এঁকেবেঁকে চলে। বাঁক খুব বেশি হলে নদীর দুই প্রান্ত জুড়ে যায় এবং মূল নদী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঘোড়ার খুরের মতো হ্রদ তৈরি করে। মুর্শিদাবাদে ভাগীরথী নদীর তীরে এমন হ্রদ দেখা যায়। ৩. বদ্বীপ (Delta): নদীর মোহনায় পলি জমে গ্রিক অক্ষর 'ডেল্টা' (Δ) বা বাংলা 'ব'-এর মতো যে দ্বীপ গড়ে ওঠে, তাকে বদ্বীপ বলে। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ হলো পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ।

ভৌগোলিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানতে <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Geomorphology" target="_blank">জিওমরফোলজি বা ভূমিরূপবিদ্যা</a> সম্পর্কে পড়ুন।

৩. হিমবাহের কার্য ও সৃষ্ট ভূমিরূপ (Work of Glacier and Landforms)

শীতল বা মেরু অঞ্চলে বরফের নদী বা হিমবাহ ভূমিরূপ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক) হিমবাহের ক্ষয়কার্য

১. সার্ক বা করি (Cirque): হিমবাহের ঘর্ষণে পাহাড়ের গায়ে হাতলযুক্ত ডেকচেয়ারের মতো গর্ত তৈরি হয়। স্কটল্যান্ডে একে 'করি' বলে। ২. এরিট ও পিরামিড চূড়া (Arete & Pyramidal Peak): পাশাপাশি দুটি করি তৈরি হলে মাঝখানের অংশ ছুরির ফলার মতো তীক্ষ্ণ হয়, একে এরিট বলে। একাধিক এরিট একটি বিন্দুতে মিললে পিরামিড চূড়া তৈরি হয় (যেমন—সুইজারল্যান্ডের ম্যাটারহর্ন)। ৩. ঝুলন্ত উপত্যকা (Hanging Valley): প্রধান হিমবাহের উপত্যকার ওপর ছোট হিমবাহের উপত্যকা ঝুলে আছে বলে মনে হয়। এখানে প্রায়ই জলপ্রপাত দেখা যায়।

খ) হিমবাহের সঞ্চয়কার্য

হিমবাহ গলে গেলে তার সাথে বয়ে আনা পাথর, বালি, কাঁকর জমা হয়। একে গ্রাবরেখা (Moraine) বলে।

১. ড্রামলিন (Drumlin): হিমবাহের সঞ্চয়ের ফলে উল্টানো নৌকো বা চামচের মতো দেখতে টিলা তৈরি হয়। একে 'বাস্কেট অফ এগস টপোগ্রাফি' বলা হয়।

জলবায়ু পরিবর্তন এবং <a href="https://www.google.com/searchq=https://nsidc.org/cryosphere/glaciers" target="_blank">হিমবাহের গলন</a> সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা এখন অত্যন্ত জরুরি

৪. বায়ুর কার্য ও সৃষ্ট ভূমিরূপ (Work of Wind and Landforms)

মরুভূমি অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম ও গাছপালা না থাকায় বাতাস বাধাহীনভাবে প্রবাহিত হয় এবং ভূমিরূপ পরিবর্তন করে।

ক) বায়ুর ক্ষয়কার্য

১. গৌর বা মাশরুম রক (Mushroom Rock): বায়ুর ক্ষয়কাজে কোনো শিলাস্তূপের ওপরের অংশের চেয়ে নিচের অংশ বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ব্যাঙের ছাতার মতো আকৃতি ধারণ করে। ২. ইয়ার্দাং (Yardang): কঠিন ও কোমল শিলা লম্বালম্বিভাবে অবস্থান করলে কোমল শিলা ক্ষয় পেয়ে গলি বা নালার মতো এবং কঠিন শিলা প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে থাকে।

খ) বায়ুর সঞ্চয়কার্য

১. বালিয়াড়ি (Sand Dunes): মরুভূমিতে বালি জমে ছোট-বড় টিলা তৈরি হয়। এর মধ্যে 'বারখান' (আধখানা চাঁদের মতো) এবং 'সিফ' (তলোয়ারের মতো লম্বা) প্রধান। ২. লোয়েস (Loess): অতি সূক্ষ্ম বালি বাতাস দ্বারা বাহিত হয়ে বহু দূরে গিয়ে সঞ্চিত হলে তাকে লোয়েস বলে। চিনের হোয়াংহো অববাহিকায় লোয়েস সমভূমি দেখা যায়।

৫. বিশেষ আলোচনা: সুন্দরবন অঞ্চলের ভূমিরূপ (Landforms of Sundarbans)

গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর মিলিত বদ্বীপের নিচের অংশ হলো সুন্দরবন। এটি একটি সক্রিয় বদ্বীপ (Active Delta) অঞ্চল। এখানকার ভূমিরূপ ও প্রক্রিয়াগুলো অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়।

সুন্দরবনের প্রধান ভূমিরূপ বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • খাঁড়ি (Creeks): জোয়ারের জল ঢোকার ফলে নদীখাতগুলো ফানেল আকৃতির চওড়া হয়, একে খাঁড়ি বলে।

  • ম্যানগ্রোভ অরণ্য: লবণাক্ত মাটিতে শ্বাসমূল (Pneumatophores) ও ঠেসমূলযুক্ত সুন্দরী, গরান, গেওয়া গাছ জন্মায়। এই বনভূমি মাটির ক্ষয় রোধ করে।

  • নুতন দ্বীপ গঠন: এখানকার নদীগুলি প্রচুর পলি বহন করে আনে। ফলে নতুন নতুন চর বা দ্বীপ জেগে ওঠে। যেমন—পূর্বাশা দ্বীপ বা নিউ মুর দ্বীপ (বর্তমানে নিমজ্জিত)।

  • জোয়ার-ভাটার প্রভাব: এখানকার ভূমিরূপ গঠনে নদীর স্রোতের চেয়ে জোয়ার-ভাটার প্রভাব বেশি। দিনে দুবার জলস্তর ওঠা-নামা করে বলে পলি সঞ্চয় ও ক্ষয়—দুটিই চলে।

বর্তমান সংকট ও সতর্কতা:

বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রের জলতল বাড়ছে। এর ফলে ঘোড়ামারা, লোহাচরা-র মতো দ্বীপগুলো ক্রমশ তলিয়ে যাচ্ছে। <a href="https://whc.unesco.org/en/list/798/" target="_blank">ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ</a> সুন্দরবনকে রক্ষা করা এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

৬. ছাত্রছাত্রীদের জন্য ব্যক্তিগত পরামর্শ (Personal Advice)

প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা, ভূগোলে ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য মুখস্থ করার চেয়ে বোঝা বেশি জরুরি।

  • ছবি আঁকা: ভূমিরূপের উত্তর লেখার সময় অবশ্যই পেন্সিল দিয়ে পরিষ্কার ছবি আঁকবে। (যেমন—নদীর 'V' আকৃতির উপত্যকা বা বারখান বালিয়াড়ি)। ছবি উত্তরের মান ৩০% বাড়িয়ে দেয়।

  • পয়েন্ট করে লেখা: ঢালাও না লিখে সাবহেডিং (Sub-heading) ব্যবহার করো।

  • উদাহরণ: প্রতিটি ভূমিরূপের সাথে একটি করে বাস্তব উদাহরণ দাও।

  • ম্যাপ পয়েন্টিং: সুন্দরবন বা ভারতের মরুভূমি অঞ্চল ম্যাপে চিহ্নিত করার অভ্যাস করো।

উপসংহার

নদী, বায়ু ও হিমবাহ—প্রকৃতির এই তিনটি শক্তি প্রতিনিয়ত আমাদের পৃথিবীকে ভাস্করের মতো খোদাই করে চলেছে। সুন্দরবনের মতো সক্রিয় বদ্বীপ অঞ্চল আমাদের প্রকৃতির এক অনন্য দান। এই প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে আমাদের পরিবেশ সচেতন হতে হবে।

কল টু অ্যাকশন (CTA): আর্টিকেলটি কি তোমার উপকারে এসেছে? যদি ভালো লেগে থাকে, তবে তোমার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। ভূগোলের কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানাও, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। নিয়মিত শিক্ষামূলক আপডেটের জন্য আমাদের পেজটি বুকমার্ক করে রাখো!


 অতিরিক্ত প্রশ্ন উত্তর দেওয়া হলো 



১. বহির্জাত প্রক্রিয়া কাকে বলে?

যে সকল ভূ-প্রক্রিয়া পৃথিবীর উপরিভাগে বা ভূ-পৃষ্ঠের কাছাকাছি সংঘটিত হয় এবং সূর্যের শক্তি, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ও আবহাওয়ার প্রভাবে ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায়, সেগুলিকে বহির্জাত প্রক্রিয়া বলে।
👉 উদাহরণ: ক্ষয়, পরিবহন, সঞ্চয়, আবহবিকার।


২. বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

বহির্জাত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পৃথিবীর উপরিভাগে নানা ধরনের ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। যেমন—

  • নদীর কাজ → উপত্যকা, প্লাবনভূমি, ব-দ্বীপ
  • বায়ুর কাজ → বালিয়াড়ি, মাশরুম শিলা
  • হিমবাহের কাজ → U-আকৃতির উপত্যকা, মোরেন
  • সমুদ্রের কাজ → ক্লিফ, সি-আর্চ, সৈকত

. বহির্জাত প্রক্রিয়ার মূল উৎস কী?

বহির্জাত প্রক্রিয়ার মূল উৎস হল সূর্য
কারণ সূর্যের তাপ থেকেই বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, হিমবাহের গলন, নদীর প্রবাহ ইত্যাদি ঘটে, যা বহির্জাত প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে।


৪. অন্তর্জাত ও বহির্জাত প্রক্রিয়ার পার্থক্য

দিক অন্তর্জাত প্রক্রিয়া বহির্জাত প্রক্রিয়া
সংঘটনের স্থান পৃথিবীর অভ্যন্তরে পৃথিবীর উপরিভাগে
শক্তির উৎস ভূ-অভ্যন্তরীণ তাপ সূর্য ও মাধ্যাকর্ষণ
কাজের ধরণ গঠনমূলক ধ্বংসাত্মক ও পুনর্গঠনমূলক
উদাহরণ ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি ক্ষয়, সঞ্চয়, আবহবিকার

৫. একটি বহির্জাত প্রক্রিয়ার উদাহরণ কী?

নদীর দ্বারা ভূমিক্ষয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বহির্জাত প্রক্রিয়ার উদাহরণ।


৬. একটি বহির্জাত প্রক্রিয়ার উদাহরণ হল

বায়ুর দ্বারা বালু পরিবহন ও বালিয়াড়ি সৃষ্টি একটি বহির্জাত প্রক্রিয়ার স্পষ্ট উদাহরণ।


৭. বহির্জাত প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রকগুলি কী কী?

বহির্জাত প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়—

  • জলবায়ু
  • ভূমির ঢাল
  • শিলার প্রকৃতি ও গঠন
  • উদ্ভিদ আচ্ছাদন
  • মাধ্যাকর্ষণ শক্তি

৮. বহির্জাত প্রক্রিয়ার উদাহরণ

বহির্জাত প্রক্রিয়ার প্রধান উদাহরণগুলো হল—

  • আবহবিকার (Weathering)
  • ক্ষয় (Erosion)
  • পরিবহন (Transportation)
  • সঞ্চয় (Deposition)

৯. অন্তর্জাত ও বহির্জাত প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য

সংক্ষেপে বলা যায়—
অন্তর্জাত প্রক্রিয়া ভূ-অভ্যন্তর থেকে ভূমিরূপ গঠন করে, আর বহির্জাত প্রক্রিয়া ভূ-পৃষ্ঠে সেই ভূমিরূপকে ক্ষয় ও পরিবর্তন করে


১০. কোন বহির্জাত প্রক্রিয়ায় রেগোলিথ সৃষ্টি হয়?

আবহবিকার (Weathering) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রেগোলিথ সৃষ্টি হয়।
👉 রেগোলিথ হল—ভাঙা শিলা ও মাটির আলগা স্তর, যা শিলার উপর জমে থাকে।


পরীক্ষার টিপস:

  • সংজ্ঞা + উদাহরণ লিখলে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায়
  • পার্থক্যের প্রশ্নে টেবিল ব্যবহার করলে উত্তর আকর্ষণীয় হয়
  • গুরুত্বপূর্ণ শব্দ (সূর্য, ক্ষয়, আবহবিকার) আন্ডারলাইন করলে ভালো



Tags:

Post a Comment

0 Comments

Post a Comment (0)
3/related/default