ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ: ধান, গম, চা, কার্পাস ও শিল্প | পরীক্ষার প্রস্তুতি

Best Online Education
By -
0

 

ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ: কৃষি ও শিল্প – একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা



ভারতের-অর্থনৈতিক-পরিবেশ


ভূমিকা

ভারত একটি বিশাল দেশ, আর এর অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড মূলত কৃষি ও শিল্পের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আপনি যদি একজন ছাত্র বা ছাত্রী হন, তবে ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ সম্পর্কে জানা আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি। মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বা যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে প্রশ্ন আসবেই। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা খুব সহজ ভাষায় ধান, গম, চা ও কার্পাস চাষের পরিবেশ এবং ভারতের দুটি প্রধান শিল্প—লৌহ-ইস্পাত ও তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

আমাদের লক্ষ্য হলো আপনাকে সঠিক এবং পয়েন্ট-ভিত্তিক তথ্য দেওয়া, যাতে আপনি পরীক্ষায় পুরো নম্বর পেতে পারেন।

ভারতের কৃষি: প্রধান ফসল চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ

ভারতের কৃষিকাজ মূলত মৌসুমী জলবায়ু এবং মাটির উর্বরতার ওপর নির্ভরশীল। নিচে চারটি প্রধান ফসলের চাষের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ আলোচনা করা হলো।

১. ধান চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ (Rice Cultivation)

ধান ভারতের প্রধান খাদ্যশস্য। এটি একটি খারিফ শস্য। মূলত গাঙ্গেয় সমভূমি এবং উপকূলীয় অঞ্চলে ধান ভালো জন্মে।

ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ:

  • উষ্ণতা: ধান ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর ফসল। চাষের সময় ২০° সেলসিয়াস থেকে ৩০° সেলসিয়াস উষ্ণতা প্রয়োজন। ধান পাকার সময় প্রচুর রোদ দরকার।

  • বৃষ্টিপাত: ধান বা 'তৃণ' জাতীয় ফসলের জন্য প্রচুর জলের প্রয়োজন। বছরে গড়ে ১০০ থেকে ২০০ সেমি বৃষ্টিপাত আদর্শ। গাছের গোড়ায় জল জমে থাকা ধানের জন্য ভালো।

  • আর্দ্রতা: চারা তৈরির সময় এবং বাড়ন্ত অবস্থায় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকা প্রয়োজন।

  • মৃত্তিকা: উর্বর পলি মাটি ধান চাষের জন্য শ্রেষ্ঠ। এছাড়া এঁটেল বা দোআঁশ মাটিতেও ধান ভালো হয় কারণ এই মাটি জল ধরে রাখতে পারে।

  • ভূমি: গাছের গোড়ায় জল দাঁড়িয়ে থাকা প্রয়োজন বলে নদী অববাহিকা বা বদ্বীপ অঞ্চলের নিচু সমতল ভূমি ধান চাষের জন্য আদর্শ।

খ) অর্থনৈতিক পরিবেশ: ধান চাষে প্রচুর শ্রমিকের প্রয়োজন হয় (চারা রোপণ, ফসল কাটা)। তাই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সস্তায় শ্রমিক পাওয়া যায়। এছাড়া সার, কীটনাশক এবং জলসেচের সুব্যবস্থা থাকা জরুরি।

উৎপাদক অঞ্চল: পশ্চিমবঙ্গ (ভারতের ধানের ভাণ্ডার), উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা।

২. গম চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ (Wheat Cultivation)

ধানের পরেই ভারতের দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য হলো গম। এটি একটি রবি শস্য, অর্থাৎ শীতকালে এর চাষ হয়।

ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ:

  • উষ্ণতা: গম নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের ফসল। বীজ বোনার সময় ১৫°C - ২০°C এবং পাকার সময় একটু বেশি উষ্ণতা (২৫°C - ২৭°C) প্রয়োজন।

  • বৃষ্টিপাত: গম চাষে খুব বেশি বৃষ্টির দরকার হয় না। ৫০ থেকে ১০০ সেমি বৃষ্টিপাতই যথেষ্ট। তবে শীতকালীন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বৃষ্টি গম চাষের খুব উপকার করে।

  • তুষারপাত: গম চাষের জন্য তুষারপাত বা শিলাবৃষ্টি অত্যন্ত ক্ষতিকারক। কমপক্ষে ১০০-১১০ দিন তুহীনমুক্ত (Frost free) থাকা দরকার।

  • মৃত্তিকা: ভারী দোআঁশ বা কাদা-দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য আদর্শ। মাটিতে নাইট্রোজেন থাকা জরুরি।

  • ভূমি: জল নিকাশের সুবিধাযুক্ত সামান্য ঢালু জমি বা সমতল ভূমি প্রয়োজন।

খ) অর্থনৈতিক পরিবেশ: গম চাষ এখন অনেকটাই যান্ত্রিক হয়ে গেছে। উন্নত বীজ (HYV), রাসায়নিক সার এবং পাঞ্জাব-হরিয়ানা অঞ্চলে খালের মাধ্যমে জলসেচ গম উৎপাদনে বিপ্লব এনেছে।

উৎপাদক অঞ্চল: উত্তরপ্রদেশ (প্রথম), পাঞ্জাব (হেক্টর প্রতি উৎপাদনে প্রথম), হরিয়ানা ও মধ্যপ্রদেশ। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে ভারতের কৃষি মন্ত্রকের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন।

৩. চা চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ (Tea Cultivation)

চা হলো ভারতের প্রধান পানীয় ফসল এবং অর্থকরী ফসল। এটি একটি বাগিচা ফসল।

ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ:

  • উষ্ণতা: চা ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলের ফসল। ২০°C থেকে ৩০°C উষ্ণতা চা গাছের জন্য আদর্শ।

  • বৃষ্টিপাত: চা গাছে প্রচুর বৃষ্টির প্রয়োজন হয়। বছরে ১৫০ থেকে ২৫০ সেমি বৃষ্টিপাত দরকার। তবে মনে রাখবেন, গাছের গোড়ায় জল জমলে চা গাছ পচে যায়।

  • ভূমি: এই কারণেই পাহাড়ের ঢালু জমি চা চাষের জন্য শ্রেষ্ঠ। যাতে বৃষ্টির জল গড়িয়ে নিচে চলে যায়।

  • মৃত্তিকা: লৌহমিশ্রিত, হিউমাসযুক্ত উর্বর দোআঁশ মাটি চা চাষের জন্য ভালো। মাটিতে ফসফরাস ও পটাশ থাকা দরকার।

  • ছায়াপ্রদানকারী বৃক্ষ: সরাসরি প্রখর রোদ চা গাছের ক্ষতি করে, তাই বাগানের মাঝে মাঝে বড় ছায়াপ্রদানকারী গাছ (যেমন- সিলভার ওক) লাগানো হয়।

খ) অর্থনৈতিক পরিবেশ: চা পাতা তোলার জন্য প্রচুর সুলভ ও দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে মহিলা শ্রমিকরা এই কাজে নিপুণ হন। এছাড়া পাতা প্রক্রিয়াকরণের জন্য বাগানের কাছেই কারখানা থাকা দরকার।

উৎপাদক অঞ্চল: অসম (প্রথম), পশ্চিমবঙ্গ (দার্জিলিং চায়ের স্বাদে বিশ্বখ্যাত), তামিলনাড়ু (নীলগিরি)।

৪. কার্পাস বা তুলো চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ (Cotton Cultivation)

কার্পাস বা তুলো হলো ভারতের প্রধান তন্তু জাতীয় ফসল। একে 'সাদা সোনা' বলা হয়।

ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ:

  • উষ্ণতা: কার্পাস চাষের জন্য ২০°C থেকে ৩৫°C উষ্ণতা প্রয়োজন।

  • বৃষ্টিপাত: খুব কম বৃষ্টিপাতে (৫০-১০০ সেমি) এটি ভালো হয়। তবে গুটি পাকার সময় রোদ ঝলমলে আকাশ দরকার।

  • তুহীনমুক্ত দিন: কার্পাস চাষের জন্য বছরে অন্তত ২০০ দিন তুহীনমুক্ত (Frost free) থাকা আবশ্যিক। কুয়াশা ও শিলাবৃষ্টি তুলোর ক্ষতি করে।

  • মৃত্তিকা: চুন ও লবণ মিশ্রিত কৃষ্ণ মৃত্তিকা বা রেগুর মাটি কার্পাস চাষের জন্য আদর্শ। এই মাটির জলধারণ ক্ষমতা বেশি।

  • ভূমি: জল নিকাশের সুবিধাযুক্ত সমতল বা সামান্য ঢালু জমি।

খ) অর্থনৈতিক পরিবেশ: তুলো তোলা এবং বাছাই করার জন্য প্রচুর শ্রমিকের প্রয়োজন। এছাড়া পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচাতে প্রচুর কীটনাশক লাগে।

উৎপাদক অঞ্চল: গুজরাট (প্রথম), মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানা। দাক্ষিণাত্যের লাভা গঠিত মালভূমি অঞ্চলই কার্পাস চাষের প্রধান কেন্দ্র।

ভারতের শিল্প: মেরুদণ্ড ও ভবিষ্যৎ

কৃষির পাশাপাশি শিল্পেও ভারত দ্রুত উন্নতি করছে। নিচে ভারতের একটি ভারী শিল্প এবং একটি আধুনিক প্রযুক্তি শিল্প নিয়ে আলোচনা করা হলো।

১. লৌহ-ইস্পাত শিল্প (Iron and Steel Industry)

লৌহ-ইস্পাত শিল্পকে 'সকল শিল্পের মেরুদণ্ড' বা 'মূলধনী শিল্প' বলা হয়। কারণ ছোট পিন থেকে শুরু করে বড় জাহাজ বা মেশিন তৈরি করতে ইস্পাত লাগে।

কেন পূর্ব ও মধ্য ভারতে এই শিল্প বেশি গড়ে উঠেছে? ভারতের বেশিরভাগ লৌহ-ইস্পাত কেন্দ্র (যেমন- জামশেদপুর, দুর্গাপুর, বার্নপুর, বোকারো, রৌরকেল্লা) পূর্ব ও মধ্য ভারতে অবস্থিত। এর কারণগুলি হলো:

  1. আকরিক লোহা: ওড়িশার গুরুমহিষানী, ঝাড়খণ্ডের নোয়ামুণ্ডি থেকে প্রচুর ভালো মানের আকরিক লোহা পাওয়া যায়।

  2. কয়লা: রানীগঞ্জ ও ঝরিয়া খনি থেকে কোক কয়লা সহজলভ্য।

  3. ম্যাঙ্গানিজ ও চুনাপাথর: ইস্পাত তৈরির কাঁচামাল যেমন ডলোমাইট, ম্যাঙ্গানিজ ওড়িশা ও ছত্তিশগড় থেকে পাওয়া যায়।

  4. জল: দামোদর, সুবর্ণরেখা ও মহানদী থেকে পর্যাপ্ত জল পাওয়া যায়।

  5. পরিবহন: কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরের নৈকট্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলপথের সুব্যবস্থা।

প্রধান কেন্দ্রসমূহ:

  • TISCO (জামশেদপুর): ভারতের অন্যতম প্রাচীন এবং সবচেয়ে বড় বেসরকারি ইস্পাত উৎপাদন কেন্দ্র।

  • SAIL (স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া): এর অধীনে দুর্গাপুর, ভিলাই, রৌরকেল্লা, বোকারো প্ল্যান্টগুলি পরিচালিত হয়।

২. তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প (Information Technology - IT Industry)

বর্তমান যুগে ভারতের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প হলো তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প। একে 'নলেজ বেসড ইন্ডাস্ট্রি' বা জ্ঞানভিত্তিক শিল্প বলা হয়।

ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণ:

  1. মেধাবী জনশক্তি: ভারতে প্রচুর সংখ্যক ইংরেজি জানা দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার এবং যুবক-যুবতী রয়েছে।

  2. সস্তায় শ্রম: বিদেশের তুলনায় ভারতে কম খরচে সফটওয়্যার ডেভেলপার পাওয়া যায়।

  3. সরকারি নীতি: সরকার আইটি পার্ক (IT Parks) এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ) তৈরি করে কর ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে।

  4. জলবায়ু: বেঙ্গালুরুর মতো শহরের মনোরম জলবায়ু বিদেশি কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করেছে।

প্রধান কেন্দ্রসমূহ:

  • বেঙ্গালুরু: একে 'ভারতের সিলিকন ভ্যালি' বলা হয়। এটি ভারতের বৃহত্তম আইটি হাব।

  • হায়দ্রাবাদ: হাইটেক সিটি বা সাইবারাবাদ নামে পরিচিত।

  • অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে চেন্নাই, পুনে, গুরুগ্রাম (দিল্লি এনসিআর) এবং কলকাতার সল্টলেক সেক্টর–৫।

ভারতের শিল্প উন্নয়ন সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য Make In India অফিসিয়াল সাইটটি দেখতে পারেন।

ছাত্রছাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য এই প্রশ্নগুলো অবশ্যই তৈরি করবেন:

প্রশ্ন ১: ভারতের চা বলয় বলতে কোন অঞ্চলকে বোঝায়? উত্তর: উত্তর-পূর্ব ভারতের অসম, পশ্চিমবঙ্গের ডুয়ার্স ও দার্জিলিং অঞ্চলকে ভারতের প্রধান চা বলয় বলা হয়।

প্রশ্ন ২: রেগুর মাটি কোন চাষের জন্য উপযুক্ত এবং কেন? উত্তর: রেগুর বা কৃষ্ণ মৃত্তিকা কার্পাস (তুলো) চাষের জন্য উপযুক্ত। কারণ এই মাটির জলধারণ ক্ষমতা খুব বেশি এবং এতে চুন ও টাইটানিফেরাস ম্যাগনেটাইট থাকে যা তুলো গাছের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

প্রশ্ন ৩: দুর্গাপুরকে 'ভারতের রূঢ়' বলা হয় কেন? উত্তর: জার্মানির রূঢ় (Ruhr) অঞ্চলের মতোই দুর্গাপুরেও দামোদর উপত্যকার কয়লা ও খনিজ সম্পদের ওপর ভিত্তি করে বিশাল লৌহ-ইস্পাত ও অন্যান্য শিল্প গড়ে উঠেছে, তাই একে ভারতের রূঢ় বলা হয়।

প্রশ্ন ৪: খারিফ শস্য ও রবি শস্যের মূল পার্থক্য কী? উত্তর:

  • খারিফ শস্য: বর্ষাকালে (জুন-জুলাই) বোনা হয় এবং শরৎ-শীতে (অক্টোবর-নভেম্বর) কাটা হয়। উদাহরণ: ধান, পাট।

  • রবি শস্য: শীতকালে (অক্টোবর-নভেম্বর) বোনা হয় এবং বসন্তে (মার্চ-এপ্রিল) কাটা হয়। উদাহরণ: গম, সরিষা।

প্রশ্ন ৫: তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের প্রধান কাঁচামাল কী? উত্তর: এই শিল্পের কোনো বস্তুগত কাঁচামাল নেই। মানুষের মেধা বা বুদ্ধিমত্তাই হলো এই শিল্পের প্রধান সম্পদ।

ব্যক্তিগত পরামর্শ ও টিপস (Expert Advice)

প্রিয় ছাত্রছাত্রী বন্ধুরা, ভূগোল এমন একটি বিষয় যেখানে পয়েন্ট করে লিখলে এবং ছবি আঁকলে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায়।

  1. ম্যাপ পয়েন্ট প্র্যাকটিস: ধান, গম উৎপাদক অঞ্চল এবং লৌহ-ইস্পাত কেন্দ্রগুলো ভারতের ম্যাপে রোজ প্র্যাকটিস করুন। ম্যাপ পয়েন্টে ৫-১০ নম্বর থাকে যা খুব সহজে তোলা যায়।

  2. পার্থক্য ছক করে লিখুন: রবি শস্য ও খারিফ শস্য বা উত্তর ভারত ও দক্ষিণ ভারতের নদনদীর পার্থক্য সবসময় ছক (Table) করে লিখবেন।

  3. আপডেট তথ্য: সবসময় বইয়ের তথ্যের সাথে বর্তমান উৎপাদন রাজ্যের নাম মিলিয়ে নেবেন (যেমন- ধান উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম)।

উপসংহার

ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। একদিকে যেমন উর্বর পলিমাটিতে ধান ও গমের সোনালী ফসল ফলে, অন্যদিকে দাক্ষিণাত্যের কালো মাটিতে ফোটে সাদা কার্পাস। আর খনিজ সম্পদকে কাজে লাগিয়ে গড়ে ওঠা ইস্পাত শিল্প এবং মেধার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা আইটি শিল্প ভারতকে বিশ্বদরবারে শক্তিশালী করছে।

আশা করি এই নোটটি তোমাদের অনেক উপকারে আসবে। ঠিকঠাক পয়েন্ট করে লিখলে এবং সাথে ভারতের ম্যাপে স্থানগুলো চিহ্নিত করে দিলে তোমরা অবশ্যই পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাবে।

Call to Action (CTA): আপনার যদি এই আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকে এবং ভূগোল বিষয়ক আরও কোনো জটিল প্রশ্নের সহজ উত্তর চান, তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে তারাও উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!

Tags:

Post a Comment

0 Comments

Post a Comment (0)
3/related/default